বিদ্যালয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্ম বার্ষিকী উদযাপনে বিধায়ক সহ বিশিষ্টজন
Sangbad Prabhati, 6 July 2026
অতনু হাজরা, জামালপুর : বেড়ুগ্রাম আচার্য্য গিরিশ চন্দ্র বসু বিদ্যাপীঠে সম্মান ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করা হলো ভারত কেশরী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্ম বার্ষিকী। এই উপলক্ষ্যে ৬ জুলাই বিদ্যালয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুরের বিধায়ক অরুণ হালদার। এই প্রবল দুর্যোগের দিনে, কলকাতায় তাঁর মিটিং থাকা সত্ত্বেও ব্যস্ত সময়ের মধ্যে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন। তাঁকে এদিন বিদ্যালয়ে পেয়ে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সম্বর্ধনা জানানো হয়।
উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তি শুভঙ্কর মালিক, উজ্জ্বল রায়, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দেবাশীষ মালিক সহ সকল শিক্ষক শিক্ষিকা ও ছাত্র ছাত্রীরা। প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়। ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ছবিতে মাল্য দান করেন বিধায়ক অরুণ হালদার। বিদ্যালয়ের প্রাণ পুরুষ প্রশান্ত কুমার বসুর আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করে মূল অনুষ্ঠান শুরু করা হয়।
বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা বন্দে মাতরম সঙ্গীত পরিবেশন করেন তাঁর সাথে সকলে গলা মেলান। বিধায়ককে বিদ্যালয়ে আমন্ত্রণ করার জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সম্পর্কে বলতে গিয়ে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, শ্যামাপ্রসাদের আত্মত্যাগ কখনও ভোলার নয়। তিনি বলেন তিনি যখন ক্লাস ইলেভেনে পড়েন তখন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবনী পড়ে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত হন। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় খুব ভালো ভাবে নির্বিঘ্নে জীবন কাটাতে পারতেন। কিন্তু তিনি সেটা না করে দেশের জন্য নিজেকে উৎস্বর্গ করেন। এর আগে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ইতিহাস ছাত্র ছাত্রীদের জানানো হয় নি। কিন্তু নতুন সরকার সেই ব্যবস্থা করবেন।
তিনি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবনীর বই এনে যেন ছাত্র ছাত্রীদের পড়ার ব্যবস্থা করেন। তিনি ছাত্র ছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করেন। সকলকে মন দিয়ে পড়াশোনা করতে বলেন। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দেবাশীষ মালিক বলেন, ১৫ দিন ধরে বিদ্যালয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় স্মৃতি পক্ষ পালন করা হচ্ছে। আজ তাঁর জন্মদিনে বিদ্যালয়ে এই অনুষ্ঠানে দুর্যোগ উপেক্ষা করে বিদ্যালয়ের ডাকে সাড়া দিয়ে আসার জন্য তিনি বিধায়ক অরুণ হালদারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। পরে বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মঞ্চস্থ করে। অনুষ্ঠান শেষে সকল ছাত্র ছাত্রীদের মাংস ভাত খাওয়ানো হয়।






