Scrooling

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব পদে নন্দিনী চক্রবর্তী # রজতজয়ন্তী বর্ষে সংবাদ প্রভাতী পত্রিকা। সকল পাঠক-পাঠিকা বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি শুভেচ্ছা # আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বঙ্গতনয়া, ৮২তম ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অরিজন্তি বিভাগে সেরা পরিচালকের খেতাব জয় করলেন চিত্রপরিচালক অনুপর্ণা রায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর শুভেচ্ছা। # বর্ধমানে জাতীয় সড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ১১ পুণ্যার্থীর মৃত্যু। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর # UGC NET 2025-এ অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক-১ করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পিএইচডি স্কলার নিলুফা ইয়াসমিন # উচ্চ মাধ্যমিকের পর নিটেও রাজ্যে প্রথম বর্ধমানের রূপায়ণ পাল। # ষষ্ঠ সিন্ধু জিব্রাল্টার জয় করে ইতিহাসের পাতায় সায়নী # 'দাদাসাহেব ফালকে' সম্মানে ভূষিত হলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী

সরকারি উন্নয়ন কাজের সাইনবোর্ডে বিজেপির বিজ্ঞাপন ঘিরে আলোড়ন


 

সরকারি উন্নয়ন কাজের সাইনবোর্ডে বিজেপির বিজ্ঞাপন ঘিরে আলোড়ন


Atanu Hazra 
Sangbad Prabhati, 5 March 2026

অতনু হাজরা, জামালপুর : উন্নয়ন নাকি প্রচার— রাজনীতির ময়দানে কোনটি বেশি ওজনদার ? এই চিরন্তন দ্বন্দ্বে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর। জামালপুর ব্লকের জারোগ্রাম অঞ্চলের তিলকুর ও নারানপুর সংসদে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনস্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগের (PHE) একটি সরকারি পানীয় জল প্রকল্পের সাইনবোর্ডের ওপর বিজেপির প্রচারমূলক পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে তীব্র আলোড়ন ছড়িয়েছে এলাকায়। সরকারি সম্পত্তির ওপর রাজনৈতিক প্রচারের এই 'অনুপ্রবেশ' ভালো চোখে দেখছেন না সাধারণ মানুষ।

একটি সরকারি পানীয় জল প্রকল্পের সাইনবোর্ড, যা মূলত সাধারণ মানুষের পরিষেবার তথ্য দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট, সেখানেই দেখা গেল গেরুয়া শিবিরের পোস্টার। পোস্টারে লেখা রয়েছে সেই বহুচর্চিত স্লোগান— "পালটানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার।" উল্লেখ্য, বাংলায় ভোটপ্রচারের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মুখ থেকে নিঃসৃত এই স্লোগানটি রাজ্য রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কিন্তু সরকারি প্রকল্পের বিজ্ঞাপনের ওপর এমন দলীয় প্রচারের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। এই ঘটনায় সরব হয়েছেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান। 

তিনি কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন। তিনি বলেন বিজেপি দলটার এমন দেউলিয়া অবস্থা কোথায় রাজনৈতিক পোস্টার মারতে হয় সেটাও জানেনা। অবশ্য জামালপুরে বিজেপির সংগঠনের যা অবস্থা তাতে করে এইভাবে না হলে তারা কোনো ভাবেই প্রচারের আলোয় আসতে পারছে না। কিন্তু এইভাবে জামালপুরে বিজেপি কিছুই করতে পারবে না।

প্রচারের এই কৌশলকে ভালো চোখে নিচ্ছেন না সাধারণ গ্রামবাসী। অনেকের মতেই, সরকারি সম্পত্তি কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়, বরং সাধারণ মানুষের অধিকারের জায়গা। উন্নয়নের কাজকে দলীয় প্রচার দিয়ে ঢেকে দেওয়ার এই সংস্কৃতি সুস্থ গণতন্ত্রের লক্ষ্মণ নয় বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।

 সরকারি ফলক থেকে পোস্টারটি শেষ পর্যন্ত সরানো হবে কি না, বা এই বিতর্কের জল কতদূর গড়ায়, এখন সেটাই দেখার।