যুব সাথীর রেজিস্ট্রেশনের জন্য যুবক যুবতীদের উপচেপড়া ভিড় 


Atanu Hazra 
Sangbad Prabhati, 17 February 2026

অতনু হাজরা, পূর্ব বর্ধমান : বাংলার যুব সাথী প্রকল্পে তৃতীয় দিনে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেলো শহর থেকে গ্রামে। মঙ্গলবার বর্ধমান পৌরসভা অফিসে শহরের তিনটি ওয়ার্ডের জন্য ফর্ম তোলা ও জমা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত ছিল। সকাল ১০টা বাজতেই যুব সাথীর রেজিস্ট্রেশনের জন্য ভিড় জমতে শুরু করে। দুপুর ১২টায় রোদের তেজকে উপেক্ষা করেও লম্বা লাইন পড়ে যায়।

একই ছবি জামালপুর ব্লক অফিসে। আর সেই ভিড় সামাল দিতে তত্ত্বাবধান করলেন বিডিও পার্থ সারথী দে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খাঁন ও সহ সভাপতি ভূতনাথ মালিক। এদিন ফর্ম দেওয়া ও জমা নেওয়ার দ্বিতীয় দিনে সকাল থেকেই সাধারণ মানুষ ভিড় করে লাইনে দাঁড়ান।

 মঙ্গলবার চকদিঘী অঞ্চল ও জারোগ্রাম অঞ্চলের জন্য ফর্ম দেওয়া ও জমা নেওয়া হয়। ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী মানুষরা যুব সাথী প্রকল্পে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করার জন্য আসেন। যথেষ্ট ভিড় দেখা যায় ভূমিহীন ক্ষেত মজুরদের লাইনেও। সেখানেও নিজে উপস্থিত ছিলেন ব্লক কৃষি আধিকারিক বিপাশা বসু। 

 মেহেমুদ খাঁন বলেন, বাংলার সাধারণ মানুষকে রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী তাঁদের নেত্রী জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নানা প্রকল্পের মাধ্যমে সাহায্য করে পাশে দাঁড়িয়েছেন। আর এখন তিনি বাংলার যুবক যুবতীদের জন্য যুব সাথী প্রকল্প নিয়ে এলেন। যা রাজ্যের লক্ষ লক্ষ যুবক যুবতীদের সাহায্য করবে বলে তিনি মনে করেন। লক্ষ্মী ভান্ডারের সাথে এই প্রকল্প রাজ্যের মানুষকে যেমন সাহায্য করবে তেমনি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে অনেকটাই ভালো জায়গায় রাখবে বলে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছেন।