অমৃত ভারত : স্টেশনের আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ায় বর্ধমানে পার্সেল অফিস বন্ধের সিদ্ধান্ত : পুনর্গঠনের দাবীতে সরব স্টার্ট আপ ফাউন্ডেশন
Sangbad Prabhati, 17 February 2026
ডিজিটাল ডেস্ক রিপোর্ট, সংবাদ প্রভাতী : বর্ধমান রেলওয়ে স্টেশনের পার্সেল অফিস বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবিতে সরব হল স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা স্টার্ট আপ ফাউন্ডেশন। সংগঠনের পক্ষ থেকে রেলমন্ত্রী, রেলওয়ে বোর্ড, পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার এবং হাওড়া ডিভিশনের ডিআরএমের কাছে লিখিত আবেদন জানানো হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্য সচিব, জেলা শাসক ও জেলার সাংসদদের কাছেও বিষয়টি নিয়ে হস্তক্ষেপের অনুরোধ করা হয়েছে। সংগঠনের দাবি, এই স্টেশন পূর্ব ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশন। এই স্টেশনের পার্সেল পরিষেবা দীর্ঘদিন ধরে পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, বাঁকুড়া ও হুগলি সহ একাধিক জেলার ব্যবসায়ী, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগপতি, কৃষক এবং সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। কৃষিজ পণ্য, বই, পোশাক, যন্ত্রাংশ ও ক্ষুদ্র শিল্পজাত সামগ্রী পরিবহণে এই পরিষেবা বিশেষ সহায়ক। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্টেশনটি অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পর অধীনে উন্নয়ন করা হচ্ছে, যা স্বাগতযোগ্য উদ্যোগ। তবে আধুনিকীকরণের নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপরিষেবা বন্ধ হয়ে গেলে তা সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যকে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। তাদের মতে, পার্সেল অফিস বন্ধ হলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের পরিবহণ খরচ বাড়বে, পার্সেল বহনের সঙ্গে যুক্ত দৈনিক মজুরিভিত্তিক শ্রমিকদের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং মানুষকে হাওড়া বা আসানসোলের মতো দূরবর্তী স্টেশনের উপর নির্ভর করতে হবে। এতে সময় ও অর্থ—দুইয়েরই অতিরিক্ত চাপ তৈরি হবে।
স্টার্ট আপ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সন্দীপন সরকার জানান "অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা, সাময়িক স্থগিতাদেশ এবং সম্পূর্ণ বন্ধের পরিবর্তে আধুনিকীকরণ বা পুনর্গঠনের দাবী জানানো হয়েছে। পাশাপাশি এহেন সিদ্ধান্তের পিছনে প্রশাসনিক ও কার্যগত কারণগুলি স্পষ্টভাবে জনসমক্ষে জানানোর দাবি করা হয়েছে ; উন্নয়ন মানে পরিষেবা কমানো নয়, বরং আরও শক্তিশালী ও জনবান্ধব করা। বৃহত্তর জনস্বার্থ ও আঞ্চলিক অর্থনীতির স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কাম্য।"




