Scrooling

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব পদে নন্দিনী চক্রবর্তী # রজতজয়ন্তী বর্ষে সংবাদ প্রভাতী পত্রিকা। সকল পাঠক-পাঠিকা বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি শুভেচ্ছা # আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বঙ্গতনয়া, ৮২তম ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অরিজন্তি বিভাগে সেরা পরিচালকের খেতাব জয় করলেন চিত্রপরিচালক অনুপর্ণা রায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর শুভেচ্ছা। # বর্ধমানে জাতীয় সড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ১১ পুণ্যার্থীর মৃত্যু। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর # UGC NET 2025-এ অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক-১ করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পিএইচডি স্কলার নিলুফা ইয়াসমিন # উচ্চ মাধ্যমিকের পর নিটেও রাজ্যে প্রথম বর্ধমানের রূপায়ণ পাল। # ষষ্ঠ সিন্ধু জিব্রাল্টার জয় করে ইতিহাসের পাতায় সায়নী # 'দাদাসাহেব ফালকে' সম্মানে ভূষিত হলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী

সাড়ম্বরে সম্প্রীতির রাখী বন্ধন উৎসব পালিত হলো জামালপুরে


 

সাড়ম্বরে সম্প্রীতির রাখী বন্ধন উৎসব পালিত হলো জামালপুরে


Atanu Hazra 
Sangbad Prabhati, 9 August 2025

অতনু হাজরা, জামালপুর : জামালপুরে সাড়ম্বরে পালিত হলো সম্প্রীতির রাখী বন্ধন উৎসব। ব্লকের বিভিন্ন অঞ্চলে পালিত হয় রাখী বন্ধন উৎসব। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে জামালপুর বাসস্ট্যান্ডে পালন করা হয় রাখী বন্ধন উৎসব। 

সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অলক কুমার মাঝি, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক, সহ সভাপতি ভূতনাথ মালিক,পূর্ত কর্মাধক্ষ্য মেহেমুদ খাঁন, দুই জেলা পরিষদ সদস্যা শোভা দে ও কল্পনা সাঁতরা, ব্লক যুব অফিসার শুভাশীষ সরকার, অনুপম চ্যাটার্জী সহ প্রধান, উপ প্রধান, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষরা। পথ চলতি সকল মানুষের হাতে পরিয়ে দেওয়া হয় সম্প্রীতির রাখী। করানো হয় মিষ্টিমুখ।

   জামালপুর ব্লক তৃণমূল পার্টি অফিসের সামনে ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খাঁনের উদ্যোগে করা হয় রাখী বন্ধন উৎসব। সেখানেও উপস্থিত থাকেন বিধায়ক অলক কুমার মাঝি, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক, সহ সভাপতি ভূতনাথ মালিক, দুই জেলা পরিষদ সদস্যা শোভা দে ও কল্পনা সাঁতরা, শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি তাবারক আলী মন্ডল, জেলার যুব সহ সভাপতি শাহাবুদ্দিন মন্ডল, ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিট্টু মল্লিক, সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি ওয়াসিম সরকার, এস সি সেলের সভাপতি উত্তম হাজারী সহ সকল অঞ্চল সভাপতিরা। 

তারকেশ্বর - মেমারী রোডে পথ চলতি মানুষদের হাতে রাখী পরিয়ে দেওয়া হয়। মেহেমুদ খাঁন বলেন রাখির ইতিহাস আমাদের কম বেশি সকলেরই জানা। সুদীর্ঘ কাল ধরে বোনেরা ভাইদের মঙ্গল কামনায় তাদের হাতে রাখি বেঁধে দেয়। আবার বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সকল মানুষের হাতে মৈত্রীর ও সৌভ্রাতৃত্বের রাখি বেঁধে দিয়েছিলেন। রাজ্য সরকারের ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে সমস্ত জেলার প্রতিটি ব্লকেই রাখি বন্ধন উৎসব হয়। কিন্তু এবারের প্রেক্ষিত একটু আলাদা। সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে বাংলার বাইরে বাংলাভাষীদের উপর বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে কিভাবে অত্যাচার নেমে আসছে। বাংলা ভাষা বললেই বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। তাই আজ পরস্পরের হাতে রাখী বেঁধে অঙ্গীকার করতে হবে আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি। 

বাংলা ভাষার যে অপমান বিজেপি করতে চাইছে তার বিরুদ্ধে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী গর্জে উঠেছেন। তাঁরাও সকলে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেই আছেন। বিধায়ক অলক কুমার মাঝি প্রাচীন কালের দৃষ্টান্ত টেনে রাখী বন্ধনের ব্যাখ্যা করেন। তিনিও বলেন বাঙালি জাতি যদি ইংরেজদের ভারত থেকে বিতাড়িত করতে পারে তো এই বিজেপি তো কোন ছাড়। তিনি আজকের এই পূণ্য দিনে সকলকে সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে বলেন আমরা বাঙালি বাংলাভাষা আমাদের গর্ব।

    জৌগ্রাম অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও আজ রাখি বন্ধন উৎসব পালন করা হয়। সেখানেও পথ চলতি মানুষের হাতে সম্প্রীতির রাখী পরিয়ে দেওয়া হয়।। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খাঁন ও অঞ্চল সভাপতি মৃদুল কান্তি মন্ডল সহ অন্যান্যরা।