Scrooling

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বঙ্গতনয়া, ৮২তম ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অরিজন্তি বিভাগে সেরা পরিচালকের খেতাব জয় করলেন চিত্রপরিচালক অনুপর্ণা রায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর শুভেচ্ছা। # রজতজয়ন্তী বর্ষে সংবাদ প্রভাতী পত্রিকা। সকল পাঠক-পাঠিকা বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি শুভেচ্ছা # বর্ধমানে জাতীয় সড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ১১ পুণ্যার্থীর মৃত্যু। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর # UGC NET 2025-এ অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক-১ করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পিএইচডি স্কলার নিলুফা ইয়াসমিন # উচ্চ মাধ্যমিকের পর নিটেও রাজ্যে প্রথম বর্ধমানের রূপায়ণ পাল। # ষষ্ঠ সিন্ধু জিব্রাল্টার জয় করে ইতিহাসের পাতায় সায়নী # 'দাদাসাহেব ফালকে' সম্মানে ভূষিত হলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী

সিএএ ফর্ম পূরণে সহায়তা ক্যাম্প মেমারিতে


 

সিএএ ফর্ম পূরণে সহায়তা ক্যাম্প মেমারিতে 


Sk Samsuddin 
Sangbad Prabhati, 30 August 2025

সেখ সামসুদ্দিন, মেমারি : পূর্ব বর্ধমানের মধ্যে প্রথম মেমারি উদ্বাস্তু মঞ্চ ও দেশের ডাক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সিএএ ফর্ম পূরণে মেমারিতে চালু হল সহায়তা ক্যাম্প। মেমারি থানার পারিজাত নগর বটতলা বাজার প্রাঙ্গণে দেশের ডাক ফাউন্ডেশনের দীপ্তাস্য যশের আহ্বানে এই ক্যাম্পে পারিজাত নগর, উদয়পল্লী, কৈলাসপুর, মহেশডাঙ্গা ক্যাম্প সহ এলাকার পূর্ববঙ্গ থেকে আসা ব্যক্তিরা দলে দলে ফর্ম সংগ্রহ করেন ও অনলাইনে আবেদন করতে নিয়ম-কানুন জানেন। দেশের ডাক ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি দেবজিৎ সরকার বলেন ২০১৪ সালের আগে আসা বাংলাদেশী হিন্দু উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার উদ্দেশ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছেন।এখানে শিবির থেকে বিনামূল্যে চার পৃষ্ঠার ফর্ম দেওয়া হয়।পাশাপাশি বলে দেওয়া হয় নিজের নাম, বাবার নাম, স্বামী বা স্ত্রীর নাম, জন্ম তারিখ, ফোন নাম্বার, ইমেল আইডি, আধার কার্ড, বাংলাদেশের ঠিকানা বা প্রমাণপত্র এবং এদেশের সঠিক ঠিকানা পূরণ করতে হবে। এছাড়াও নোটারি এফিডেভিট ও স্থানীয় একজন ব্যক্তির দ্বারা ধর্মীয় পরিচয় শংসাপত্র দিতে হবে। এই ক্যাম্পে সরকার নির্ধারিত ৫০ টাকা ফি লাগবে এর বাইরে কোন খরচা লাগবে না। যদি কেউ এফিডেবিট বা শংসাপত্র পেতে সমস্যায় পড়েন তখন এই ক্যাম্পে থাকা ব্যক্তিরা ২৫০ টাকার বিনিময়ে সহায়তা করবেন। এই ক্যাম্পে নির্দ্বিধায় সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানাচ্ছেন যারা বাংলাদেশী উদ্বাস্তু হিন্দু একমাত্র তারাই এই আবেদন গ্রহণ করবেন এবং অনলাইনে আপলোড করবেন। এদেশীয় হিন্দু, মুসলিম বা অন্যান্য সম্প্রদায়ের কাউকে এই ফর্ম পূরণ করতে হবে না। তারা জন্মসূত্রেই এদেশের নাগরিক। আজ থেকে চালু হওয়া সহায়তা ক্যাম্প যতদিন না শেষ আসা হিন্দু বাংলাদেশী উদ্বাস্তুর আবেদন পূরণ না হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত চালু থাকবে। তবে যারা অন্য রাজনৈতিক দলের প্রচারে ফর্ম পূরণ করবেন না, তাদের কোনো দায়িত্ব ভারত সরকার নেবে না।