Scrooling

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব পদে নন্দিনী চক্রবর্তী # রজতজয়ন্তী বর্ষে সংবাদ প্রভাতী পত্রিকা। সকল পাঠক-পাঠিকা বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি শুভেচ্ছা # আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বঙ্গতনয়া, ৮২তম ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অরিজন্তি বিভাগে সেরা পরিচালকের খেতাব জয় করলেন চিত্রপরিচালক অনুপর্ণা রায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর শুভেচ্ছা। # বর্ধমানে জাতীয় সড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ১১ পুণ্যার্থীর মৃত্যু। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর # UGC NET 2025-এ অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক-১ করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পিএইচডি স্কলার নিলুফা ইয়াসমিন # উচ্চ মাধ্যমিকের পর নিটেও রাজ্যে প্রথম বর্ধমানের রূপায়ণ পাল। # ষষ্ঠ সিন্ধু জিব্রাল্টার জয় করে ইতিহাসের পাতায় সায়নী # 'দাদাসাহেব ফালকে' সম্মানে ভূষিত হলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী

চাঁদের বিল সংস্কারের আবেদন নিয়ে সেচ মন্ত্রী মানস ভূঁইয়া সমীপে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ


 

চাঁদের বিল সংস্কারের আবেদন নিয়ে সেচ মন্ত্রী মানস ভূঁইয়া সমীপে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ 

Sangbad Prabhati, 13 June 2025

ডিজিটাল ডেস্ক রিপোর্ট, সংবাদ প্রভাতী : পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা মহকুমার পূর্বস্থলী ১ নং ব্লকে কোবলা, চাঁপাহাটি মৌজার অর্ন্তভুক্ত একটি খাল আছে, যে খালটি চাঁদের বিল নামে খ্যাত। বর্তমানে এই খালটি কচুরিপানায় ভর্তি হয়ে গেছে এবং এর নাব্যতাও কমে গেছে। এই বিল সংস্কারের আবেদন নিয়ে রাজ্যের সেচ ও জলপথ দপ্তরের মন্ত্রী মানস রঞ্জন ভূঁইয়ার মন্ত্রণালয়ে হাজির হলেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।
উল্লেখ্য স্বপন বাবু পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধান সভা কেন্দ্র থেকেই নির্বাচিত হয়ে রাজ্যের মন্ত্রী। তাঁর বিধানসভা এলাকার মধ্যেই রয়েছে এই চাঁদের বিল। কয়েক হাজার মানুষের রুটি রুজির একমাত্র সহায়। এলাকার গরীব মানুষের কর্মসংস্থানের জন্য স্বপন দেবনাথ নিরলস কাজ করে চলেছেন। বিশেষ করে খাল, বিল ও চুনো মাছ বাঁচাতে তিনি স্থানীয় মানুষের মধ্যে সচেতনতা প্রসারে উৎসব ও নানা কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে চলেছেন।
স্বপন বাবু সেচ দপ্তরের মন্ত্রী মানস রঞ্জন ভূঁইয়ার কাছে এক লিখিত আবেদনে উল্লেখ করেন এই খালটি বাঁশদহ বিল হতে শুরু হয়ে ভাগিরথী নদীতে মিশেছে। খালটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২.৫ কি.মি। খালের দুপাড়ে হাজার হাজার একর জমি চাষ হয়। ইতিপূর্বে কয়েক বছর আগে খালটি সংস্কার করা হয়েছিল। এই খালেতে মৎসজীবীরা মাছ ধরে তাদের জীবিকা নির্বাহ করে। উল্লেখযোগ্য এই খালটি চুনো মাছের জন্য বিখ্যাত। যেমন- পুঁটি, খলসে, চাঁদা, বেলে, খয়রা, ল্যাটা, শোল, কাঁকরা, কই,  শামুক, গুগলি প্রচুর পরিমানে পাওয়া যায়।
এমতাবস্থায়, খালটির আশু সংস্কার বিশেষ প্রয়োজন, যারফলে কৃষক ও মৎস্যজীবীরা তাদের জীবিকা নির্বাহে উপকৃত হবেন।