Scrooling

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব পদে নন্দিনী চক্রবর্তী # রজতজয়ন্তী বর্ষে সংবাদ প্রভাতী পত্রিকা। সকল পাঠক-পাঠিকা বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি শুভেচ্ছা # আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বঙ্গতনয়া, ৮২তম ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অরিজন্তি বিভাগে সেরা পরিচালকের খেতাব জয় করলেন চিত্রপরিচালক অনুপর্ণা রায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর শুভেচ্ছা। # বর্ধমানে জাতীয় সড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ১১ পুণ্যার্থীর মৃত্যু। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর # UGC NET 2025-এ অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক-১ করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পিএইচডি স্কলার নিলুফা ইয়াসমিন # উচ্চ মাধ্যমিকের পর নিটেও রাজ্যে প্রথম বর্ধমানের রূপায়ণ পাল। # ষষ্ঠ সিন্ধু জিব্রাল্টার জয় করে ইতিহাসের পাতায় সায়নী # 'দাদাসাহেব ফালকে' সম্মানে ভূষিত হলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী

কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার মাহাত্ম্য, মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ কি ভাবে পাওয়া যায়


 

কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার মাহাত্ম্য, মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ কি ভাবে পাওয়া যায়




Jayati Bhoumick
Sangbad Prabhati, 16 October 2024

জয়তী ভৌমিক, ডিজিটাল ডেস্ক : ধনসম্পত্তি ও সমৃদ্ধির দেবী মা লক্ষ্মী বছরের প্রতি বৃহস্পতিবার ঘরে ঘরে পূজিতা হন। এছাড়াও বছরের বিভিন্ন সময়ে সাড়ম্বরে মা লক্ষ্মী দেবীর পুজো হয়। কিন্তু আশ্বিন মাসের শেষ পূর্ণিমায় মা লক্ষ্মী দেবীর আরাধনার বিশেষ মাহাত্ম্য আছে। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী মনে করা হয় আশ্বিনের শেষ পূর্ণিমায় ধনসম্পত্তি ও সমৃদ্ধির দেবী মা লক্ষ্মী স্বর্গ থেকে মর্ত্যে নেমে আসেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রত্যেক মানুষকে আশীর্বাদ করেন তিনি। তাই রাত জেগে মা লক্ষ্মীর আরাধনার প্রচলন আছে। ঘরের দরজা বন্ধ থাকলে মা লক্ষ্মী স্বর্গ থেকে মর্ত্যে নেমে এসে মানুষের ঘরে ঢুকতে পারেন। তাহলে মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ থেকে বঞ্চিত হবেন। সেই বিশ্বাস থেকেই কোজাগরি লক্ষ্মী পূজার প্রচলন। এখনো অনেকের বাড়িতেই দেখা যায় কোজাগরি পূর্ণিমার রাতে ধুপ দ্বীপ জ্বালিয়ে গোটা বাড়ি আলোকিত করে মা লক্ষ্মীর আরাধনায় ব্রতী হতে। তবে আশ্বিনের এই শেষ পূর্ণিমায় রাত জাগা ছাড়াও পূর্ণিমার তিথি অনুযায়ী দিন এবং রাত বিভিন্ন সময়েই লক্ষ্মী পূজার প্রচলন রয়েছে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর আয়োজনে পূর্ণিমার রাতে খোলা আকাশের নীচে ভক্তি ভরে ক্ষীর রাখার প্রচলনও রয়েছে। মনে করা হয়, খোলা আকাশের নীচে সেই ক্ষীরে পূর্ণিমার চাঁদের আলো এসে পড়ে। ভক্তদের বিশ্বাস স্বর্গ থেকে মর্ত্যে নেমে মা লক্ষ্মী সেই অর্ঘ্য গ্রহণ করেন এবং সন্তুষ্ট হয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের সকলকে আশীর্বাদ করেন।