Scrooling

পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদল মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দু অধিকারী # ৯২ বছর বয়সে মুম্বইয়ে প্রয়াত হলেন সুরের দুনিয়ার কিংবদন্তি আশা ভোঁসলে # রজতজয়ন্তী বর্ষে সংবাদ প্রভাতী পত্রিকা। সকল পাঠক-পাঠিকা বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি শুভেচ্ছা # আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বঙ্গতনয়া, ৮২তম ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অরিজন্তি বিভাগে সেরা পরিচালকের খেতাব জয় করলেন চিত্রপরিচালক অনুপর্ণা রায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর শুভেচ্ছা। # বর্ধমানে জাতীয় সড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ১১ পুণ্যার্থীর মৃত্যু। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর # UGC NET 2025-এ অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক-১ করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পিএইচডি স্কলার নিলুফা ইয়াসমিন # উচ্চ মাধ্যমিকের পর নিটেও রাজ্যে প্রথম বর্ধমানের রূপায়ণ পাল। # ষষ্ঠ সিন্ধু জিব্রাল্টার জয় করে ইতিহাসের পাতায় সায়নী # 'দাদাসাহেব ফালকে' সম্মানে ভূষিত হলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী

বর্ধমান সায়েন্স এন্ড নেচার ক্লাবের অভিনব উদ্যোগ


 

বর্ধমান সায়েন্স এন্ড নেচার ক্লাবের অভিনব উদ্যোগ 


Abhirup Acharya 
Sangbad Prabhati, 2 June 2024

অভিরূপ আচার্য, বর্ধমান : গ্রীষ্মকালীন অবকাশে অভাবনীয় নজীর স্থাপন করলো বর্ধমান সায়েন্স এন্ড নেচার ক্লাব। তীব্র তাপপ্রবাহে দীর্ঘদিন বিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকার কারণে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের পঠন-পাঠন সংক্রান্ত বিষয়ে নানান অসুবিধা সম্মুখীন হচ্ছিল। সিলেবাস কী করে শেষ হবে তারা বুঝতে পারছিল না। অথচ স্কুল খুললে মাসখানেকের মধ্যে তাদের পরীক্ষায় বসতে হবে। পাশাপাশি একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের কোনো ক্লাস এখনো পর্যন্ত শুরু করা যায়নি। ভোটের কারণে সরকার প্রদত্ত পাঠ্যপুস্তকগুলো এখনো পর্যন্ত এসে পৌঁছায়নি স্কুলগুলিতে। তাই ছাত্রছাত্রীরা ভীষণ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিল।  ভেবে পাচ্ছিল না কিভাবে তারা পড়াশুনা করবে।

    ঠিক এই জায়গাতেই  মুশকিল আসান করতে বর্ধমান সায়েন্স এন্ড নেচার ক্লাব ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে এসে দাঁড়ায়। চটজলদি একটা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলে সেখানে একাদশ দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের  সিলেবাস সহ পাঠ্য পুস্তকের পিডিএফ প্রদান করা হয়।  তার সাথে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ে অনলাইনে পাঠদান শুরু করেন এখানকার অভিজ্ঞ শিক্ষক শিক্ষিকারা। তাদের এই উদ্যোগে  স্বভাবতই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন বহু অভিভাবক সহ ছাত্র-ছাত্রীরা। নবম শ্রেণির ছাত্র জয়েন্দ্র, ব্রতজিত, উদ্দালক, অদ্রিজা, সৃজা দশম শ্রেণির ছাত্র সৌমিক, সৌহার্দ্য, ফেরদৌসী, সমৃদ্ধা দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ঈশান, অয়ন, অর্পিতা, প্রীতি, শ্রেয়সীর  মতো শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী বর্ধমান সায়েন্স এন্ড নেচার ক্লাবের এই আয়োজনে  যারপরনাই খুশি। এসব ছাত্রছাত্রীরা প্রতিবেদককে জানায়, "ঘরে বসেই তারা স্কুলের মত পড়াশোনা করতে পারছে। হাতের কাছেই পেয়ে যাচ্ছে সমস্ত প্রশ্নের উত্তর। এখানকার শিক্ষকরা অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে তাদের বিষয়গুলি বুঝিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সমস্যার সমাধান করে দিচ্ছেন"।

বর্ধমান সায়েন্স এন্ড নেচার ক্লাবের প্রেসিডেন্ট পেশায় শিক্ষক বিশ্বরূপ দাস বলেন, "আমাদের এই ক্লাব সারা বছর ধরে পরিবেশ উন্নয়ন, সমাজ কল্যাণ এবং জন মানসে বিজ্ঞান সচেতনতা বৃদ্ধির সাথে ছাত্র-ছাত্রীদের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে এবং আগামী দিনেও করবে।"।  তিনি আরো জানান, "আমাদের এই ক্লাবে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পাশাপাশি অনেক গৃহশিক্ষক এবং শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব রয়েছেন, যাদের সমবেত প্রচেষ্টায় সদ্য অঙ্কুরিত এই ক্লাবটি একটি বটবৃক্ষে পরিণত হবে"।

বর্ধমান সায়েন্স এন্ড নেচার ক্লাবের এই মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বহু অভিভাবক, সমাজকর্মী সহ সমাজ কল্যাণে নিয়োজিত বিভিন্ন সংস্থা।