Scrooling

রজতজয়ন্তী বর্ষে সংবাদ প্রভাতী পত্রিকা। সকল পাঠক-পাঠিকা বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি শুভেচ্ছা # বর্ধমানে জাতীয় সড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ১১ পুণ্যার্থীর মৃত্যু। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর # UGC NET 2025-এ অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক-১ করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পিএইচডি স্কলার নিলুফা ইয়াসমিন # উচ্চ মাধ্যমিকের পর নিটেও রাজ্যে প্রথম বর্ধমানের রূপায়ণ পাল। # ষষ্ঠ সিন্ধু জিব্রাল্টার জয় করে ইতিহাসের পাতায় সায়নী # 'দাদাসাহেব ফালকে' সম্মানে ভূষিত হলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী

Ex MLA and veteran leader Maharani Koner passed away প্রয়াত প্রবীণ সিপিআইএম নেত্রী তথা প্রাক্তন বিধায়ক মহারানী কোঙার


 

 Ex MLA and veteran leader   Maharani Koner passed away 


প্রয়াত প্রবীণ সিপিআইএম নেত্রী তথা প্রাক্তন বিধায়ক মহারানী কোঙার




Sangbad Prabhati, 5 January 2024

ডিজিটাল ডেস্ক রিপোর্ট, সংবাদ প্রভাতী : প্রয়াত হলেন প্রবীণ সিপিআইএম নেত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার প্রাক্তন সদস্য মহারানী কোঙার। সিপিআইএম জেলা কমিটির প্রাক্তন সদস্য, মহিলা সমিতি, ট্রেড ইউনিয়ন ও কৃষকসভার রাজ্য নেতৃত্ব মহারানী কোঙার শুক্রবার বেলা ১ টা ৫২ মিনিটে মেমারির নিজ বাসভবনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৯০ বছর। 

    মহারানী কোঙারের জীবনাবসানে গভীর শোক জ্ঞাপন করেছেন দলের জেলা সম্পাদক সৈয়দ হোসেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আভাস রায়চৌধুরী, অঞ্জু কর, রাজ্য কমিটির সদস্য অমল হালদার, অচিন্ত্য মল্লিক, সিপিআইএম দলের প্রবীণ নেতা অরিন্দম কোঙার প্রমুখ। 

    প্রয়াত মহারানী কোঙার-এর মরদেহ তাঁর মেমারির বাড়িতেই শায়িত রয়েছে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য। শনিবার সকাল ৮টায় সিপিএম মেমারি কালীতলা পার্টি অফিসে তাঁর মরদেহ নিয়ে আসা হবে এবং সেখানে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হবে। তারপর সকাল সাড়ে আটটায় মহারানী কোঙারের মরদেহ নিয়ে শোকমিছিল হবে মেমারি চেকপোস্ট পর্যন্ত। 

     এরপর মরদেহ বর্ধমানে সিপিএমের জেলা কার্যালয়ে সকাল দশটায় নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে মহারানী কোঙারকে শেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হবে। বেলা বারোটা নাগাদ তাঁর মরদেহ বর্ধমান মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

 মহারানী কোঙার ১৯৩৩ সালের ২৩ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। বিবাহসূত্রে ছিলেন বিনয় কোঙারের স্ত্রী। হরেকৃষ্ণ কোঙারের ভ্রাতৃবধূ। ১৯৫৮ সালে তিনি সি পি আই এর সদস্যপদ পান। মেমারি এলাকায় বাম সংগঠন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যে সংগঠনকে সম্প্রসারিত করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। কিছুদিন আগেও সক্রিয় ছিলেন বিভিন্ন কর্মসূচিতে।

    মহারানী কোঙার তিনবার মেমারি কেন্দ্র থেকে বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হন এবং বিধানসভায় তাঁর দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন।