Scrooling

নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রীসভায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে শপথ নিলেন ডঃ সুকান্ত মজুমদার ও শান্তনু ঠাকুর # অ্যালার্জিজনিত সমস্যায় ভুগছেন ? বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ অয়ন শিকদার আগামী ২১ জুলাই বর্ধমানে আসছেন। নাম লেখাতে যোগাযোগ 9734548484 অথবা 9434360442 # আঠারো তম লোকসভা ভোটের ফলাফল : মোট আসন ৫৪৩টি। NDA - 292, INDIA - 234, Others : 17 # পশ্চিমবঙ্গে ভোটের ফলাফল : তৃণমূল কংগ্রেস - ২৯, বিজেপি - ১২, কংগ্রেস - ১

Mobile Phone Recover ১৫ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে পুলিশ ফিরিয়ে দিল মালিকদের হাতে, গ্রেপ্তার ২


 

Mobile Phone Recover

 ১৫ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে পুলিশ ফিরিয়ে দিল মালিকদের হাতে, গ্রেপ্তার ২ 




অনলাইনে প্রতারণার অভিযোগে বর্ধমানের কালনাগেট এলাকার এক যুবক গ্রেপ্তার 


Sangbad Prabhati, 9 September 2023

ডিজিটাল ডেস্ক রিপোর্ট, সংবাদ প্রভাতী : সাম্প্রতিক সময়ে বর্ধমান থানার পুলিশ ছিনতাই হওয়া এবং চুরি যাওয়া প্রচুর মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে। তবে এবার মোবাইল ফোন উদ্ধারের সঙ্গে অপরাধীও ধরা পড়েছে। শনিবার বর্ধমান থানার পুলিশ চুরি যাওয়া আরও ১৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করার পাশাপাশি দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। উদ্ধার করা মোবাইল ফোনগুলো তাদের মালিকদের ফিরিয়ে দিল বর্ধমান থানা। 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জিলাপি বাগানের বাসিন্দা কলেজ ছাত্রী আঁখি মন্ডল টোটো করে যাচ্ছিলেন সেই সময় বর্ধমান শহরের শাঁখারী পুকুর এলাকায় এক যুবক বাইক নিয়ে চলন্ত টোটো তে বসে থাকা ওই কলেজ ছাত্রীর হাত থেকে মোবাইলটি ছিনিয়ে নিয়ে চম্পট দেয়। এই ঘটনায় বর্ধমান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই ছাত্রীর পরিবার। পুলিশ তদন্তে নেমে ওই এলাকার নিকটবর্তী সিসিটিভি ফুটেজ এবং স্থানীয় মানুষজনের সঙ্গে কথা বলে রাজেশ রায় নামে কাঞ্চননগরের বাসিন্দা এক মোবাইল ছিনতাইকারীর হদিস পায়। রাজেশ কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করার মাধ্যমে বেলকাশের বাসিন্দা বাবলু চৌধুরীর খোঁজ পায়।

 রাজেশ ছিনতাই করে আনা মোবাইল বাবলুর কাছে বিক্রি করতো। ডেপুটি পুলিশ সুপার ট্রাফিক ২ রাকেশ চৌধুরী জানান, পুলিশ দুজনকেই গ্রেপ্তার করেছে। ওদের কাছ থেকে ১৫ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার সহ একটি মোটর সাইকেল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। 

অন্যদিকে অনলাইন প্রতারণা চক্রের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে কালনা গেট এলাকা থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতের নাম সৌমেন সোম। জানা যায়, বিটকয়েনে টাকা লগ্নি করে দ্রুত টাকা আদায় করার প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁদ পাতা হত। মাত্র ৬০০০ টাকা লগ্নি করে প্রতিদিন ৩০০ টাকা আয়ের লোভ দেখানো হয়। একটি অ্যাপের মাধ্যমে এই কাজ চলে। অন্য কাউকে এই চেইনে যুক্ত করতে পারলে ১২০০ টাকা কমিশন দেবার কথা বলা হত। বেশ কয়েকজন এর মাধ্যমে প্রতারিত হয়েছেন। এই চক্র কত বড় এবং তাদের শিকড় কোথায় পুলিশ তা খুঁজে বার করতে তদন্ত শুরু করেছে।