Scrooling

নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রীসভায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে শপথ নিলেন ডঃ সুকান্ত মজুমদার ও শান্তনু ঠাকুর # অ্যালার্জিজনিত সমস্যায় ভুগছেন ? বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ অয়ন শিকদার আগামী ২১ জুলাই বর্ধমানে আসছেন। নাম লেখাতে যোগাযোগ 9734548484 অথবা 9434360442 # আঠারো তম লোকসভা ভোটের ফলাফল : মোট আসন ৫৪৩টি। NDA - 292, INDIA - 234, Others : 17 # পশ্চিমবঙ্গে ভোটের ফলাফল : তৃণমূল কংগ্রেস - ২৯, বিজেপি - ১২, কংগ্রেস - ১

BJP movement বর্ধমানে বিজেপির যুব ও মহিলা মোর্চা সরব, থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ


 

BJP movement

বর্ধমানে বিজেপির যুব ও মহিলা মোর্চা সরব, থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ 




Jagannath Bhoumick
Sangbad Prabhati, 9 August 2023

জগন্নাথ ভৌমিক, বর্ধমান : রাজ্য সরকারের লাগামছাড়া দুর্নীতির প্রতিবাদে গর্জে উঠেছে বিজেপির মহিলা ও যুব মোর্চা। ৯ আগস্ট তাঁরা বর্ধমান থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায়। এদিন বর্ধমান জেলা বিজেপির ডাকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের লাগামছাড়া দুর্নীতির প্রতিবাদে, মহিলা ও শিশুদের সুরক্ষা এবং যুব সমাজের কর্মসংস্থানের দাবিতে বিজেপির মহিলা মোর্চা এবং যুব মোর্চার উদ্যোগে বিক্ষোভ কর্মসূচি সংগঠিত হয়। বর্ধমান থানা ঘেরাও বিক্ষোভ দেখায়।

এদিন বর্ধমান টাউন হল প্রাঙ্গণ থেকে মিছিল করে বর্ধমান থানা ঘেরাও করে বিজেপির যুব ও মহিলারা। থানায় ডেপুটেশনও দেয়।

 পঞ্চায়েত ভোটের ঘোষণা থেকে ভোটের ফলাফল পর্যন্ত সারা রাজ্যজুড়ে বিজেপি প্রার্থী এবং কর্মীদের ওপর তৃণমূলের দুষ্কৃতিরা লাগাতার আক্রমণ করে চলেছে। এখনো পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনে বিজেপি প্রার্থীদের জোরপূর্বক মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে তৃণমূলে যোগদান করানো হচ্ছে। যাতে তৃণমূলের পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন করতে সুবিধা হয়। এমনটাই অভিযোগ বিজেপি নেতৃত্বর। সারা রাজ্য জুড়ে মহিলা ও শিশুদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা প্রদানের দাবি জানানো হয়। একের পর এক মহিলারা আক্রান্ত হচ্ছেন এমনই অভিযোগ করে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে আঙ্গুল তুলেছেন বর্ধমান জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। এই বিষয়ে বিজেপির যুব মোর্চার বর্ধমান সদর জেলার সাধারণ সম্পাদক সুধীর রঞ্জন সাউ জানান, সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আমরা দীর্ঘদিন ধরে দেখে আসছি মহিলারা আক্রান্ত হচ্ছেন ধর্ষিত হচ্ছেন। নারীদেরকে অসম্মান করার ঘটনা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তারই প্রতিবাদে আজ বিজেপির যুব মোর্চা ও মহিলা মোর্চার পক্ষ থেকে বর্ধমান থানা ঘেরাও কর্মসূচি করা হলো। যাতে বর্ধমান শহর এবং বর্ধমান শহর সংলগ্ন গ্রামে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে। যদি এই ধরনের ঘটনা ঘটে তাহলে আমরা আরো বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো। ইতিমধ্যেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মনিপুরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মহিলাদের উপর কোনো ঘটনা ঘটলে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন না এবং সাংবাদিকদের মুখোমুখিও হন না। সামান্য ঘটনা বলে এড়িয়ে যান। তৃণমূলের নেতাদের বাঁচাতেই মুখ্যমন্ত্রী নিশ্চুপ থাকেন। কিন্তু নরেন্দ্র মোদি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে কোন রাজনৈতিক দলের রং না দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।