Scrooling

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব পদে নন্দিনী চক্রবর্তী # রজতজয়ন্তী বর্ষে সংবাদ প্রভাতী পত্রিকা। সকল পাঠক-পাঠিকা বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি শুভেচ্ছা # আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বঙ্গতনয়া, ৮২তম ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অরিজন্তি বিভাগে সেরা পরিচালকের খেতাব জয় করলেন চিত্রপরিচালক অনুপর্ণা রায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর শুভেচ্ছা। # বর্ধমানে জাতীয় সড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ১১ পুণ্যার্থীর মৃত্যু। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর # UGC NET 2025-এ অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক-১ করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পিএইচডি স্কলার নিলুফা ইয়াসমিন # উচ্চ মাধ্যমিকের পর নিটেও রাজ্যে প্রথম বর্ধমানের রূপায়ণ পাল। # ষষ্ঠ সিন্ধু জিব্রাল্টার জয় করে ইতিহাসের পাতায় সায়নী # 'দাদাসাহেব ফালকে' সম্মানে ভূষিত হলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী

Chittaranjan Locomotive works চিত্তরঞ্জন রেল কারখানা বাঁচাও এর ডাক দিয়ে মেধা পাটেকরের পথযাত্রা


 

Chittaranjan Locomotive works

চিত্তরঞ্জন রেল কারখানা বাঁচাও এর ডাক দিয়ে মেধা পাটেকরের পথযাত্রা


কাজল মিত্র, আসানসোল : বিদ্বেষ ছাড়ো, সংবিধান বাঁচাও। চিত্তরঞ্জন রেল কারখানা বাঁচাতে এবং আসানসোল জামতোড়া শিল্পাঞ্চলকে বাঁচাতে বৃহস্পতিবার সিএল ডাবলু সংগ্রামী শ্রমিক ইউনিয়নের ডাকে সমাজসেবীকা তথা জননেত্রী মেধা পাটেকরের উপস্থিততে পশ্চিম বর্ধমান জেলার বারাবনি বিধানসভার অন্তর্গত রূপনারায়ানপুরে বাস স্ট্যান্ডে একটি জনসভা হয়। তারপর সভাস্থল থেকে শুরু করে চিত্তরঞ্জন রেল ইঞ্জিন কারখানার জিএম অফিস পর্যন্ত পথযাত্রা করার উদ্দেশ্যে রওনা দেন কিন্তু চিত্তরঞ্জন ৩ নম্বর গেটে রেল প্রশাসন দ্বারা ব্যারিকেড লাগিয়ে মিছিলটি প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না।

রাগে ক্ষোভে ফেটে পড়েন কর্মী সমর্থকরা ব্যারিকেড ভেঙে প্রবেশ করার চেষ্টা করা হয় কর্মী সমর্থকদের তরফে। কিন্তু বিশাল আরপিএফ বাহিনী তাদের আটকে ফেলে।অবশেষে রাস্তায় বসে পড়েন মেধা পাটেকর সহ কর্মী সমর্থকরা। শেষ পর্যন্ত রেল কর্তৃপক্ষ ৫ জনকে প্রবেশ করতে দেন। সেখানে গিয়ে তারা জিএম এর কাছে তাদের দাবির কথা জানান ও তার হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন।

তিনি জানান, রেল কর্তৃপক্ষ ও কেন্দ্র সরকার ভয় পেয়েছে তাই তাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। কেন্দ্র ও রেল যতই ক্ষমতা দেখাক কিন্তু রেল কারখানাকে বেসরকারিকরণ করতে দেওয়া যাবে না। তিনি আরো বলেন কেন্দ্র সরকার গরীব কৃষক, শ্রমিকদের শোষণ করছে। ব্যাঙ্কের ঋণের জন্য কৃষক আত্মহত্যা করছে আর কোটি কোটি টাকা নিয়ে বড় ব্যবসায়ীরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। দিনের পর দিন কেন্দ্রীয় সরকার দ্বারা পরিচালিত কারখানা আদানি আম্বানির কাছে বিক্রি করে চলেছে সেটা সমগ্র বিশ্বের মানুষ দেখছে।