Scrooling

পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদল মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দু অধিকারী # ৯২ বছর বয়সে মুম্বইয়ে প্রয়াত হলেন সুরের দুনিয়ার কিংবদন্তি আশা ভোঁসলে # রজতজয়ন্তী বর্ষে সংবাদ প্রভাতী পত্রিকা। সকল পাঠক-পাঠিকা বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি শুভেচ্ছা # আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বঙ্গতনয়া, ৮২তম ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অরিজন্তি বিভাগে সেরা পরিচালকের খেতাব জয় করলেন চিত্রপরিচালক অনুপর্ণা রায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর শুভেচ্ছা। # বর্ধমানে জাতীয় সড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ১১ পুণ্যার্থীর মৃত্যু। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর # UGC NET 2025-এ অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক-১ করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পিএইচডি স্কলার নিলুফা ইয়াসমিন # উচ্চ মাধ্যমিকের পর নিটেও রাজ্যে প্রথম বর্ধমানের রূপায়ণ পাল। # ষষ্ঠ সিন্ধু জিব্রাল্টার জয় করে ইতিহাসের পাতায় সায়নী # 'দাদাসাহেব ফালকে' সম্মানে ভূষিত হলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী

সাবধান! সচেতন না হলেই মোটা অঙ্কের জরিমানা


 

সাবধান! সচেতন না হলেই মোটা অঙ্কের জরিমানা 


ডিজিটাল ডেস্ক রিপোর্ট, সংবাদ প্রভাতী :  সাবধান! ঘোর বিপদ, সচেতন না হলেই মোটা অঙ্কের জরিমানা দিতে হতে পারে। কোনও গল্পের গৌরচন্দ্রিকা নয়। একেবারে বাস্তব। শহর বর্ধমানের জি টি রোড কিম্বা বি সি রোড, পালাবার পথ নেই। বাইক কিম্বা চার চাকা অথবা বাস, লরি সব ক্ষেত্রেই বর্ধমান শহরে ট্রাফিক আইন কঠোর ভাবে বলবৎ করা হচ্ছে। পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ "সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ" কর্মসূচির মাধ্যমে দীর্ঘ সময় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি গাড়ি চালকদের সচেতন করেছে। এছাড়া নাকা চেকিংয়ের মাধ্যমে ধরপাকড়ও কম হয়নি। এবার পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ প্রযুক্তির ব্যবহারে ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের চিহ্নিত করে জরিমানার ব্যবস্থা করছে। জরিমানার টাকা সরাসরি সরকারি কোষাগারেই জমা পড়বে।

বর্ধমান শহরের শিরদাঁড়া হলো জি টি রোড। এই রাস্তার উল্লেখযোগ্য লোকেশন কার্জন গেট, মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের সামনে, টাউন হল গেটের সামনে, বাদামতলা মোড়, পার্কাস রোড মোড়, বর্ধমান মিউনিসিপালিটির সামনে ফ্লাইওভারের মুখে, লক্ষীপুর মাঠ কলেজ মোড়,  গোলাপবাগ মোড়, নবাবহাট মোড়, বীরহাটা, পুলিশ লাইন, আলিশা বাস স্ট্যান্ড মোড়, উল্লাস মোড় এবং গোটা রাস্তার বিভিন্ন এলাকায় বসানো হয়েছে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা। কে কোথায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করছে, সবই পুলিশের নজরদারিতে থাকছে। হেলমেট বিহীন বাইক ড্রাইভ, ওভারটেকিং, ওভার স্পীডিং, সিগন্যাল অমান্য, যত্রতত্র পার্কিং, চারচাকা গাড়িতে সিট বেল্ট না পড়া এগুলো সবই জরিমানার আওতায়। এছাড়াও রাস্তায় গাড়ি নিয়ে বেরোলেই আরও একগুচ্ছ নিয়ম। সচেতন না হলেই গুণতে হবে গাঁটের কড়ি। নিয়ম ভাঙলে পুলিশ আপনাকে নাও আটকাতে পারে। তবে মুহূর্তেই মোবাইলে চলে আসবে জরিমানার ম্যাসেজ‌। অনলাইনেই জমা করতে হবে জরিমানার টাকা। না দিলে জরিমানা জমতেই থাকবে। সময়ে ইন্সুরেন্স রিনিউয়াল আটকে যাবে। তারপর কোনও একদিন দেখবেন বাড়িতে নোটিশ এসে গেছে। তাছাড়া প্রযুক্তির ব্যবহারের বাইরেও পুলিশের নজরদারি বহাল থাকছে। তাই জরিমানার হাত থেকে বাঁচতে ট্রাফিক আইন যথাযত ভাবে মেনে চলুন।