চৈতন্য মহাপ্রভু'র নামে নব নির্মিত তোরণ উদ্বোধন কাটোয়ার দাঁইহাটে

উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যের সেরা অদিশা দেবশর্মা, দশের মেধা তালিকায় ২৭২ জন # মাধ্যমিকে যুগ্ম প্রথম বর্ধমান সিএমএস হাই স্কুলের রৌনক মন্ডল এবং বাঁকুড়ার রাম হরিপুর রামকৃষ্ণ মিশনের অর্ণব ঘড়াই # আধার কার্ডের ফটোকপির অপব্যবহার রুখতে বিজ্ঞপ্তি জারি # ইউনেস্কো'র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজো # বাংলার চিকিৎসক উজ্জ্বল পোদ্দার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরার তালিকায়মাধ্যমিকের পর উচ্চমাধ্যমিকেও তাক লাগালো কাটোয়ার অভীক পশ্চিমবঙ্গে কোভিড বিধিনিষেধ প্রত্যাহার #১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের আন্দোলন

প্রাইভেট টিউটন বিতর্কে পথে নামলো অভিভাবক ফোরাম


 

প্রাইভেট টিউটন বিতর্কে পথে নামলো অভিভাবক ফোরাম 


ডিজিটাল ডেস্ক রিপোর্ট, সংবাদ প্রভাতী : ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনা নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা। একদিকে করোনার আগ্রাসন, অন্যদিকে প্রাইভেট টিউটর সংগঠনের আন্দোলন। দুটোর মাঝে পড়ে স্কুল পড়ুয়ারা চরম সংকটে। এই পরিস্থিতিতে ছাত্র ছাত্রীদের অভিভাবকরাও সংগঠিত হচ্ছেন। ইতিমধ্যেই তাঁরা অভিভাবক ফোরাম নামে একটি সংগঠনও গড়ে তুলে কার্যত স্কুল শিক্ষকদের (যাঁরা টিউশন পড়ান) পাশে দাঁড়িয়েছেন। ৬ জুলাই অভিভাবক ফোরাম জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের কাছে একটি স্মারকলিপিও জমা দিয়েছেন। তাদের বক্তব্য "সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের টিউশন করা যাবে না" সরকারি এই আপাত নিরীহ অস্পষ্ট আইনকে হাতিয়ার করে আন্দোলনের নামে বর্ধমান শহরে প্রাইভেট টিউটর সংগঠন বেআইনিভাবে এবং অনৈতিকভাবে শিক্ষকদের (স্কুল শিক্ষক) বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে প্রতিনিয়ত তাদের হেনস্থা করছেন এবং অপমান করছেন। সেইকারণে নিজের সম্মান এবং প্রাণ বাঁচাতে তারা শঙ্কিত হয়ে টিউশন পড়ানো বন্ধ করে দিয়েছেন। যার ফলে পঠন পাঠনের মাঝ পথে ছেলেমেয়েরা যোগ্য শিক্ষকদের সান্নিধ্যলাভ থেকে বঞ্চিত হয়ে বিরাট ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছে। শুধু তাই নয় প্রিয় শিক্ষকের কাছে পড়তে পারবে না জেনে মানসিকভাবে তারা ভীষণ ভেঙে পড়েছে। সামনের এই জুলাই মাসে ওদের NEET এবং JEE এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা রয়েছে। তাই হঠাৎ প্রিয় শিক্ষকদের কাছে টিউশন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা প্রত্যেকেই দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এমতবস্থায় জীবনের এরকম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় ভালো ফল করা বা কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছানো তাদের কাছে দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। অভিভাবক ফোরাম এই বক্তব্য তুলে ধরে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শককে বলেছেন, 'ছাত্র-ছাত্রীদের স্বার্থে আপনাকে সদর্থক ভূমিকা গ্রহণ করতে আর্জি জানাচ্ছি।  যাতে আমাদের সন্তান-সন্ততিরা তাদের পছন্দের শিক্ষকের কাছে পড়ে তাদের জীবনের স্বপ্ন সফল করতে পারে। আইন আইনের পথে চলুক তাতে আমাদের কোন আপত্তি নেই। কিন্তু প্রাইভেট টিউটর শিক্ষক সংগঠনের আগ্রাসী মনোভাব এবং শিক্ষকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হামলা যাতে বন্ধ হয় তার জন্য আপনাকে আইনি সাহায্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাই'।


Post a Comment

0 Comments