চৈতন্য মহাপ্রভু'র নামে নব নির্মিত তোরণ উদ্বোধন কাটোয়ার দাঁইহাটে

উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যের সেরা অদিশা দেবশর্মা, দশের মেধা তালিকায় ২৭২ জন # মাধ্যমিকে যুগ্ম প্রথম বর্ধমান সিএমএস হাই স্কুলের রৌনক মন্ডল এবং বাঁকুড়ার রাম হরিপুর রামকৃষ্ণ মিশনের অর্ণব ঘড়াই # আধার কার্ডের ফটোকপির অপব্যবহার রুখতে বিজ্ঞপ্তি জারি # ইউনেস্কো'র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজো # বাংলার চিকিৎসক উজ্জ্বল পোদ্দার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরার তালিকায়মাধ্যমিকের পর উচ্চমাধ্যমিকেও তাক লাগালো কাটোয়ার অভীক পশ্চিমবঙ্গে কোভিড বিধিনিষেধ প্রত্যাহার #১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের আন্দোলন

শহীদ তৃণমূল কর্মী স্মরণ জামালপুরে



 

শহীদ তৃণমূল কর্মী স্মরণ জামালপুরে 


ডিজিটাল ডেস্ক রিপোর্ট, সংবাদ প্রভাতী : আজ থেকে ২৪ বছর আগের ঘটনা। ১৯৯৮ সালে তৎকালীন বাম আমলে তৃণমূল কংগ্রেস করার অপরাধে আজকের দিনেই শহীদ হয়েছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরের মরাবাঁধের বাসিন্দা ফিরদৌস রহমান। নৃশংস ভাবে তাকে খুন করা হয়েছিল। সেই সময় রাজ্যের তৎকালীন বিরোধী নেত্রী তথা কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় জামালপুরে এসে শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তারপর থেকেই আজকের এই দিনটিতে ফিরদৌস রহমানকে  সম্মান ও শ্রদ্ধার সাথে  স্মরণ করা হয়। তারই গ্রামে তাঁর নামাঙ্কিত শহীদ বেদী নির্মাণ করা হয়। 

আজ তাঁর মৃত্যু দিনের স্মরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জামালপুর ব্লকের সভাপতি মেহেমুদ খান, যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিক, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিট্টু মল্লিক, সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি ওয়াসিম সরকার, স্থানীয় উপ প্রধান সুভাষ কোলে সহ এলাকার নেতৃত্ব ও সাধারণ মানুষজন। দলীয় পতাকা উত্তোলন করে শহীদ বেদীতে মাল্যদান করে ফিরদৌস রহমানকে শ্রদ্ধা জানান উপস্থিত নেতৃত্ব।

 মেহেমুদ খান বলেন ফিরদৌস রহমানের এই বলিদান কখনও মিথ্যা হবে না। জামালপুরবাসী সম্মান ও শ্রদ্ধার সাথে তাঁকে স্মরণ করবে। এবং তাঁর দেখানো পথই অনুসরণ করা হবে।  তাঁর অসমাপ্ত কাজ তাঁরা করবেন বলে জানান তিনি। শুধু তাই নয় তিনি বলেন ফিরদৌস রহমানের সাথে ব্লকে আরো তিন জন শহীদ হয়েছেন। উত্তম ভুল, ঈশা হক মল্লিক, পাঁচু গোপাল রুইদাস। ক্ষমতায় আসার পরই এই শহীদ পরিবার গুলোকে চাকরি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ফিরদৌস রহমানকে স্মরণ করার পর তাঁর বাড়িতে গিয়ে তাঁর বৃদ্ধা মা ও পরিবারের সাথে কথা বলেন মেহেমুদ খান ও ভূতনাথ মালিক।

Post a Comment

0 Comments