চৈতন্য মহাপ্রভু'র নামে নব নির্মিত তোরণ উদ্বোধন কাটোয়ার দাঁইহাটে

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিবাদ মিছিল ও পথসভা


 

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিবাদ মিছিল ও পথসভা 


অতনু হাজরা, জামালপুর : পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বুধবার বারানসিতে গো ব্যাক স্লোগান ও কালো পতাকা দেখিয়ে উৎশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি করার চেষ্টা করে  মুখ্যমন্ত্রীর সম্মানহানির চেষ্টা করে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তারই প্রতিবাদে আজ জামালপুর ব্লকে ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস ও যুব কংগ্রেস একটি প্রতিবাদ মিছিল ও মিছিল শেষে পথসভার আয়োজন করে। মিছিলটি শুরু হয় ব্লক তৃণমূল পার্টি অফিস থেকে শেষ হয় বাসস্ট্যান্ডে। মিছিলে নেতৃত্ব দিয়ে পা মেলান বিধায়ক তথা পূর্ব বর্ধমান জেলার যুব সভাপতি অলোক কুমার মাঝি, তৃণমূল কংগ্রেসের জামালপুর ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান, যুব সভাপতি ভুতনাথ মালিক, ব্লকের মহিলা নেত্রী মিঠু মাঝি, সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি ওয়াসিম সরকার, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিট্টু মল্লিক, তাবারক আলী মন্ডল, ডা: প্রতাপ রক্ষিত সহ বিভিন্ন অঞ্চলের নেতৃত্বরা। মিছিল থেকে উত্তর প্রদেশের যোগী সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান তোলা হয়।  বাসস্ট্যান্ডের কাছে পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি বলেন ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে ১৮ টি সিট পেয়ে পশ্চিমবঙ্গে একটা অরাজকতার সৃষ্টি করতে চেয়েছিল, কিন্তু মানুষ ২০২১ সালে তাদের সমুচিত জবাব দিয়েছে। যার রেশ পুরসভা ভোটেও চলছে। কোনো পুরসভাই নিজেদের দখলে নিতে পারেনি বিজেপি। তিনি আরো বলেন মুখ্যমন্ত্রীর অপমান হলে তাঁরা কেউ বসে থাকবেন না। 

মেহেমুদ খান বলেন,  তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল করেন তাই কোনো অশান্তি ঝামেলা তাঁরা পছন্দ করেন না বা দল সেরকম নির্দেশও দেয়না। নাহলে আজ পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি নেতাদের করুন হাল হতো। বিজেপি নেতারা বড় বড় কথাবলে আর সরকারি সাহায্যের লাইনে আগে গিয়ে দাঁড়ায়। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাংলার বাঘিনী বলে সম্বোধন করেন। তবে তাঁরা সকলেই বলেন ২০২৪ সালে ভোটের কথা ভেবে ঘুম ছুটে গেছে বিজেপির। কারণ তাদের পায়ের তলায় মাটি দ্রুত সরছে। আগামীতে মুখ্যমন্ত্রীই দেশের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন এবিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

এই একই বিষয়ে নিয়ে জামালপুর কলেজে অবস্থান বিক্ষোভ প্রদর্শন করে জামালপুরে ব্লক তৃনমূল ছাত্র পরিষদ। ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিট্টু মল্লিক ও সাধারণ সম্পাদক সুমন বিশ্বাসের নেতৃত্বে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।