Scrooling

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব পদে নন্দিনী চক্রবর্তী # রজতজয়ন্তী বর্ষে সংবাদ প্রভাতী পত্রিকা। সকল পাঠক-পাঠিকা বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি শুভেচ্ছা # আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বঙ্গতনয়া, ৮২তম ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অরিজন্তি বিভাগে সেরা পরিচালকের খেতাব জয় করলেন চিত্রপরিচালক অনুপর্ণা রায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর শুভেচ্ছা। # বর্ধমানে জাতীয় সড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ১১ পুণ্যার্থীর মৃত্যু। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর # UGC NET 2025-এ অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক-১ করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পিএইচডি স্কলার নিলুফা ইয়াসমিন # উচ্চ মাধ্যমিকের পর নিটেও রাজ্যে প্রথম বর্ধমানের রূপায়ণ পাল। # ষষ্ঠ সিন্ধু জিব্রাল্টার জয় করে ইতিহাসের পাতায় সায়নী # 'দাদাসাহেব ফালকে' সম্মানে ভূষিত হলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী

প্রার্থী দ্বন্দ্বে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী, বিক্ষোভে রণক্ষেত্র বর্ধমান স্টেশন মোড়


 

প্রার্থী দ্বন্দ্বে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী, বিক্ষোভে রণক্ষেত্র বর্ধমান স্টেশন মোড়


ডিজিটাল ডেস্ক রিপোর্ট, সংবাদ প্রভাতী : রাজ্যের ১০৮ পৌর সভার মধ্যে দার্জিলিং ছাড়া বাকি পৌর সভায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হয় নিয়ম মেনেই।  তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সি, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস'রা সাংবাদিক বৈঠক করে সেই তালিকা প্রকাশ করেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমোদনেই এই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।  সাংবাদিক বৈঠকের কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই তালিকা আপলোড করা হয় তৃণমূলের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে। জেলায় জেলায় ছড়িয়ে পড়ে সেই তালিকা। ২১৬ পাতার সেই তালিকায় ছিল প্রার্থীদের নাম। কিন্তু শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে আচমকা দাবি করা হয়, ওই তালিকা আসল নয়। ওই তালিকায় কারও স্বাক্ষর নেই। পরে রাজ্য সভাপতির স্বাক্ষরিত প্রার্থী তালিকা প্রতিটি জেলায় দলের দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাছে পাঠানো হয়। এরপর বিভিন্ন ওয়ার্ডে পছন্দের প্রার্থীর দাবিতে বিক্ষোভ, রাস্তা অবরোধ, অগ্নিসংযোগ, ঘেরাও অভিযান শুরু করে দেয় তৃণমূলেরই  কর্মী, সমর্থকদের একাংশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাস্তায় নামে বিশাল পুলিশ বাহিনী।  

শনিবার দুপুর পর্যন্ত বর্ধমান পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে। শুক্রবার সন্ধ্যায় বর্ধমানের ১৯ নম্বর ওয়ার্ড থেকে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে ২, ৫, ১১, ২১,২৮, ৩০ ও  ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে বিক্ষোভের আঁচ টের পাওয়া যায়। শনিবার সকাল থেকে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের স্টেশন সংলগ্ন মেহেদীবাগান এলাকা বিক্ষোভের জেরে  কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। দলের অনুমোদিত প্রার্থীর গোষ্ঠীর সঙ্গে দলেরই অন্য গোষ্ঠী সম্মুখ সমরে নেমে পড়ে। পরিস্থিতি হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছোয়। বর্ধমান থানার আই সি'র নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে দু'পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। 

বিবাদমান এক পক্ষের অভিযোগ, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী চায়না কুমারী ২০২১ বিধানসভা ভোটে বিজেপির সমর্থক ও ভোট প্রচারে তৃণমূল প্রার্থীর উপর হামলায় জড়িত ছিল। তাঁকে কোন ভাবে মেনে নেওয়া যাবে না।  মেহেদীবাগান এলাকায় সেই নিয়েই  চলে বিক্ষোভ। ৩ নম্বর ওয়ার্ডের যুব তৃণমূল নেতার দাবী, আমাদের প্রার্থী নিয়ে কোন ক্ষোভ নেই। আমরা চায়না কুমারীর সমর্থনে প্রচার শুরু করে দিয়েছি। তিনি অভিযোগ তুলে বলেন, জেলার এক শ্রমিক নেতার ইসারায় কিছু বহিরাগত লোকজন এসে ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ঝামেলা তৈরী করছে, এই বিষয়ে দলের উর্ধতন কর্তৃপক্ষ কে জানানো হয়েছে।