Scrooling

নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রীসভায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে শপথ নিলেন ডঃ সুকান্ত মজুমদার ও শান্তনু ঠাকুর # অ্যালার্জিজনিত সমস্যায় ভুগছেন ? বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ অয়ন শিকদার আগামী ২১ জুলাই বর্ধমানে আসছেন। নাম লেখাতে যোগাযোগ 9734548484 অথবা 9434360442 # আঠারো তম লোকসভা ভোটের ফলাফল : মোট আসন ৫৪৩টি। NDA - 292, INDIA - 234, Others : 17 # পশ্চিমবঙ্গে ভোটের ফলাফল : তৃণমূল কংগ্রেস - ২৯, বিজেপি - ১২, কংগ্রেস - ১

পৌর ভোটে কি কেন্দ্রীয় বাহিনী ? নজর সুপ্রিম কোর্টের দিকে


 

পৌর ভোটে কি কেন্দ্রীয় বাহিনী ? নজর সুপ্রিম কোর্টের দিকে


ডিজিটাল ডেস্ক রিপোর্ট, সংবাদ প্রভাতী : পশ্চিমবঙ্গে ১০৮ টি পৌরসভার নির্বাচন ২৭ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু এবারের পৌর ভোট কি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে হবে ? এই নিয়ে রাজ্য জুড়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে নানা জল্পনা। ইতিমধ্যেই বিজেপি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর দাবিতে সরব হয়েছে। রাজ্য বিজেপি'র সেই দাবি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্ট সেই আবেদন নাকচ করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের উপর ছেড়ে দিয়েছে। এই রায়কেই চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। শীর্ষ আদালতে এই নিয়ে মামলাও দায়ের হয়েছে। আগামীকাল অর্থাৎ ২৫ ফেব্রুয়ারি সেই মামলার শুনানি হবে। বিজেপি তরফে বলা হয়েছে, বিধাননগরের ক্ষেত্রেও হাইকোর্ট কমিশনের ওপর সবটা ছেড়েছিল। কিন্তু মুড়ি-মুড়কির মতো ভোট লুট হয়েছে। সেখানে বুথের পর বুথে ছাপ্পা চলেছে। ভোটের ফল থেকে স্পষ্ট কি পরিমানে ছাপ্পা হয়েছে। তারপরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানো বা না করানোর সিদ্ধান্ত ছেড়ে দেওয়া হয়েছে কমিশনের উপর। বিজেপির দাবি এরপর সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার বলে আর কিছুই থাকবে না। 

                                                                 ফাইল চিত্র

পৌর নির্বাচন নিয়ে বারবার বিরোধীদের আবেদন সত্বেও রাজ্য পুলিশকেই বেছে নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তারপরেও রাজ্যে পৌর নির্বাচনে অশান্তি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি ৪ টি পৌর নিগমের নির্বাচনে অস্বচ্ছতার অভিযোগ করেছিল বিজেপি সহ সব বিরোধী দলই। তবুও শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে বলে দাবি করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেই প্রেক্ষিতে পৌর নির্বাচনে অশান্তির অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে সোচ্চার হয় বিজেপি।  হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন করানো হবে কিনা তা সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। তবে আদালত আরও বলেছে যে, কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া ভোট করালে যদি কোনো অশান্তি হয় তার দায় বর্তাবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ওপরেই। এরপরই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। জরুরী ভিত্তিতে আবেদনের শুনানিতে সাড়া দিয়ে মামলা দায়ের অনুমতি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এন ভি রমন্নার নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ। সেই মামলারই শুক্রবার সকালেই  শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে। বাংলার রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সুপ্রিম কোর্টের দিকে।

                                           সূত্র : আমাদের ভারত.কম