চৈতন্য মহাপ্রভু'র নামে নব নির্মিত তোরণ উদ্বোধন কাটোয়ার দাঁইহাটে

উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যের সেরা অদিশা দেবশর্মা, দশের মেধা তালিকায় ২৭২ জন # মাধ্যমিকে যুগ্ম প্রথম বর্ধমান সিএমএস হাই স্কুলের রৌনক মন্ডল এবং বাঁকুড়ার রাম হরিপুর রামকৃষ্ণ মিশনের অর্ণব ঘড়াই # আধার কার্ডের ফটোকপির অপব্যবহার রুখতে বিজ্ঞপ্তি জারি # ইউনেস্কো'র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজো # বাংলার চিকিৎসক উজ্জ্বল পোদ্দার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরার তালিকায়মাধ্যমিকের পর উচ্চমাধ্যমিকেও তাক লাগালো কাটোয়ার অভীক পশ্চিমবঙ্গে কোভিড বিধিনিষেধ প্রত্যাহার #১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের আন্দোলন

ইউনেস্কো'র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজো


 

ইউনেস্কো'র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজো


ডিজিটাল ডেস্ক রিপোর্ট, সংবাদ প্রভাতী : ইউনেস্কো'র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেল পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজো। এই ধরনের স্বীকৃতি এশিয়ায় প্রথম। UNESCO কলকাতার দুর্গাপূজাকে মানবতার অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (Intangible Cultural Heritage of Humanity)  হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ১৩-১৮ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে ইন্টারগভর্নমেন্ট কমিটির ১৬তম অধিবেশন চলছে। সেই অধিবেশনে ‘কলকাতার দুর্গাপুজো’-কে ইউনেসকোর ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটির তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। ইউনেসকো ১৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক ভাবে এ ব্যাপারে ঘোষণা করবে। 

বাংলার এই স্বীকৃতিতে আপ্লুত খোদ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাংলাকে বাংলা ভাষায় শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্যুইট করেন। লিখেছেন, “প্রত্যেক ভারতীয়ের জন্য গর্ব ও আনন্দের বিষয়। দুর্গাপূজা আমাদের সাংস্কৃতিক ও আত্মিক বৈশিষ্ট্যর শ্রেষ্ঠ দিকগুলিকে তুলে ধরে। আর, কলকাতার দুর্গাপূজার অভিজ্ঞতা প্রত্যেকের থাকা উচিৎ।”

১৫ ডিসেম্বর বিকেলে ইউনেসকো'র তালিকায় নথিভুক্ত হওয়ার পরে ট্যুইট করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লিখেছেন, ‘সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা বাঙালিদের জন্য উৎসবের থেকেও বেশি কিছু কলকাতার দুর্গাপুজো। এটি একটি আবেগ, যা সকলকে জড়িয়ে রাখে এক সঙ্গে। আর এখন ইউনেসকোর Intangible Cultural Heritage of Humanity-এর তালিকায় স্থান পেয়েছে কলকাতার দুর্গাপুজো। আমাদের আনন্দের সীমা নেই।’

সরকারি ভাবে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আমরা আমাদের দুর্গাপূজা নিয়ে গর্বিত এবং এটি আমাদের গর্বিত ও ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এটি আমাদের জন্য একটি লাল চিঠির দিন। প্রকৃত অর্থে বাংলা এখন বিশ্ববাংলা।

বাংলা, দেশ ও বিশ্বের সকল মানুষকে আমাদের অভিনন্দন। এই মহান উৎসবকে মানবতার অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য আমরা ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।


Post a Comment

0 Comments