চৈতন্য মহাপ্রভু'র নামে নব নির্মিত তোরণ উদ্বোধন কাটোয়ার দাঁইহাটে

উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যের সেরা অদিশা দেবশর্মা, দশের মেধা তালিকায় ২৭২ জন # মাধ্যমিকে যুগ্ম প্রথম বর্ধমান সিএমএস হাই স্কুলের রৌনক মন্ডল এবং বাঁকুড়ার রাম হরিপুর রামকৃষ্ণ মিশনের অর্ণব ঘড়াই # আধার কার্ডের ফটোকপির অপব্যবহার রুখতে বিজ্ঞপ্তি জারি # ইউনেস্কো'র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজো # বাংলার চিকিৎসক উজ্জ্বল পোদ্দার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরার তালিকায়মাধ্যমিকের পর উচ্চমাধ্যমিকেও তাক লাগালো কাটোয়ার অভীক পশ্চিমবঙ্গে কোভিড বিধিনিষেধ প্রত্যাহার #১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের আন্দোলন

জুনিয়র জাতীয় ভলিবলে দেশের সেরা বাংলার মেয়েরা, ছেলেদের বিভাগে তামিলনাড়ু


 

জুনিয়র জাতীয় ভলিবলে দেশের সেরা বাংলার মেয়েরা, ছেলেদের বিভাগে তামিলনাড়ু 


            অপূর্ব দাস 🟣 বর্ধমান


   ➡️   জুনিয়ার জাতীয় ভলিবলে দেশের সেরা হল বাংলার মেয়েরা। পুরো প্রতিযোগিতায় সব ম্যাচ জিতে এবং একটি সেটও না হেরে শ্রেয়সী ঘোষ, প্রেরনা পাল, স্মরণিকা দেবনাথ, কৌশিকা ঢোলে, দেমস্মিতা মল্লিক-রা সেরা দল হল। ২৫ ডিসেম্বর গ্রুপ পর্যায়ে বাংলার মেয়েদের প্রথম খেলা দেখেই স্থানীয় ক্রীড়া প্রেমী দর্শকরা বুঝতে পারে এই দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে বর্ধমানে এসেছে। সেই জন্য বাংলার প্রতিটি  খেলা দেখার জন্য বর্ধমানের অরবিন্দ স্টেডিয়ামে প্রচুর দর্শক উপস্থিত হয়েছে। এই প্রতিযোগিতায় গ্রুপ পর্যায় ও কোয়ার্টার ফাইনালের খেলা অরবিন্দ স্টেডিয়াম ও অগ্রদূত সংঘের মাঠে হয়েছে। বাংলার মেয়েদের সব খেলাই অরবিন্দ স্টেডিয়ামে হয়।

           ৪৭ তম জুনিয়র জাতীয় ভলিবল প্রতিযোগিতায় মেয়েদের ২৬ টি দল অংশ নেয়। চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলার মেয়েরা। রানার্স হয় তামিলনাড়ু। তৃতীয় হয় রাজস্থান।

            ছেলেদের বিভাগে ২৮ টি দল প্রতিযোগিতায় যোগ দেয়। চ্যাম্পিয়ন হয় তামিলনাড়ু। রানার্স হয় কর্নাটক। তৃতীয় হয় হরিয়ানা। ফাইনাল খেলায় তামিলনাড়ু প্রথম সেটে হেরেগেলেও পরের তিনটি সেট তারা জিতে নেয়। তামিলনাড়ুর ছেলেদের দল এর আগে ২০১৭ সালে বর্ধমান অরবিন্দ স্টেডিয়ামে জুনিয়র জাতীয় ভলিবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ফের  এবারও তারা চ্যাম্পিয়ন হলো। গ্রুপ পর্যায় থেকে সব ম্যাচ জিতে তারা ফাইনালে উঠে চ্যাম্পিয়ন হলো। 

               বাংলার মেয়েরা সেমিফাইনালে শক্তিশালী দল রাজস্থানকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে। এই প্রতিযোগিতায় রাজস্থানের মেয়েরা প্রতিটি ম্যাচেই বেশ ভালো খেলে সেমিফাইনালে ওঠে। তবুও বাংলার কাছে ৩-০ সেটে রাজস্থানের মেয়েরা পরাজিত হয়। ৩০ ডিসেম্বর বাংলা বনাম তামিলনাড়ুর মেয়েদের ফাইনাল খেলা দেখতে অরবিন্দ স্টেডিয়ামের গ্যালারি দর্শকে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। বাংলার সমর্থনে চিৎকার  ও হাততালি দিতে থাকে দর্শকরা। বাংলার পয়েন্ট হলেই ভেঁপু বাজিয়ে উৎসাহ দেয় দর্শকরা। বাংলা দলের লিবারো স্বাতি দাস ড্রাইভ দিয়ে বিপক্ষের ম্যাস যখনই তুলে দিয়েছে তখনই দর্শকরা আনন্দ প্রকাশ করে। প্রতিটি ম্যাচের মতো ফাইনাল খেলাতেও অধিনায়ক শ্রেয়সী ঘোষ সামনে থেকে দলকে খেলায়। বাংলার বিরুদ্ধে প্রথম সেটে তামিলনাড়ু কিছুটা প্রতিরোধ গড়তে পারলেও পরের দুটো সেট বাংলা সহজেই জিতে নেয়। বাংলা ২৫- ২২, ২৫-১৭, ২৫-১৮ পয়েন্টে তিনটি সেটে জিতে চ্যাম্পিয়ন হলো। এর আগে ২০১৭ সালে অরবিন্দ স্টেডিয়ামে জুনিয়র জাতীয় ভলিবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলার মেয়েরা। বাংলার অধিনায়ক শ্রেয়সী ঘোষ বলে, সেই বছর বাংলার খেলা দেখতে এখানে এসেছিলাম। এবার এসেও আমরা চ্যাম্পিয়ন হলাম। এই জয় এসেছে দলের প্রতিটি মেয়ের ভালো খেলার জন্য।  খেলার শেষে বাংলার কোচ কৌশিক শূর বলেন, সেমিফাইনালে শক্তিশালী রাজস্থান দলকে হারানোর পরে মনে হয়েছে ফাইনালেও আমরা জয়ি হবো। কোশিক বাবু বর্ধমানের দর্শকদের প্রশংসা করে বলেন, আমাদের মেয়েদের খেলা যে দর্শকদের ভালো লেগেছে তারজন্য আমরাও খুশি।


Post a Comment

0 Comments