চৈতন্য মহাপ্রভু'র নামে নব নির্মিত তোরণ উদ্বোধন কাটোয়ার দাঁইহাটে

হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রার সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী # ফুটবলে আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়, ফ্রান্স কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ান মেসি # জয়েন্ট এন্ট্রান্স (মেইন) এর প্রথমভাগের পরীক্ষা ২৪ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত # বর্ধমান জেলা রাইস মিলস অ্যাসোসিয়েশন এর শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন # বাংলার চিকিৎসক উজ্জ্বল পোদ্দার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরার তালিকায় #সরকারি কর্মচারীদের সুখের দিন শেষ, শ্রম কোড চালু হতে চলেছে সমগ্র ভারতে # পশ্চিমবঙ্গে কোভিড বিধিনিষেধ প্রত্যাহার # #পূর্ব বর্ধমান জেলায় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এর উদ্যোগে খালবিল ও চুনোমাছ উৎসবের উদ্বোধন ২৫ ডিসেম্বর

নতুন বৃদ্ধাশ্রম উদ্বোধন হলো আঝাপুরে


 

নতুন বৃদ্ধাশ্রম উদ্বোধন হলো আঝাপুরে 


অতনু হাজরা, আঝাপুর : পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরের আঝাপুরে গোকুলম বৃদ্ধাশ্রমের উদ্বোধন হলো আজ। এই উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন জামালপুরের বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, মেমারীর বিধায়ক তথা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান মধুসূদন ভট্টাচার্য, জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খান, মেমারী ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বসন্ত রুইদাস, আঝাপুর পঞ্চায়েত প্রধান অশোক ঘোষ সহ অন্যান্যরা। খুব ধুমধামের সাথে এই বৃদ্ধাশ্রমের উদ্বোধন করা হয়। 

 মেমারীর বিধায়ক মধুসূদন বাবু বলেন সারাজীবন সন্তানদের সব চাহিদা মেটানো বাবা মায়েদের পরিণতি কখনোই বৃদ্ধাশ্রম হওয়া উচিত নয়। কিন্তু এটাও ঠিক যে সমস্ত অসহায় বয়স্ক মানুষরা খুবই খারাপভাবে বা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাদের জন্য, তাদের স্বচ্ছন্দের জন্য এই বৃদ্ধাশ্রম গুলি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিচ্ছে। বিভিন্ন সমাজসেবী মানুষ এগিয়ে এসে এই কাজ করছেন। বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি বলেন এই বৃদ্ধাশ্রম মোটেই কাম্য নয়।কারণ বৃদ্ধ বয়সে পিতা মাতার সন্তানদের কাছেই থাকা উচিত। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আজকের এই বৃদ্ধাশ্রম অনেক বয়স্ক মানুষের ঠিকানা ও আশ্রয়স্থল। যাঁরা এটা বানিয়ে এই পরিষেবা দিচ্ছেন ও জমিদাতাকে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। মেহেমুদ খান বলেন, বাবা বা মায়ের ঠিকানা কখনোই বৃদ্ধাশ্রম হওয়া উচিত নয়। তিনি চান না এই বৃদ্ধাশ্রম গুলিতে বয়স্ক বাবা মায়ের ঠিকানা হোক। তাঁরা যেন শেষ বয়সে সন্তান সন্ততিদের সাথেই থাকতে পারেন। কিন্তু যে সমস্ত বয়স্ক মানুষদের সেই আশ্রয়স্থল নেই তাদের জন্য এই বৃদ্ধাশ্রম গুলিই সব। তিনি বলেন এই গোকুলম বৃদ্ধাশ্রম যেভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে এবং যেভাবে এই অসহায় বৃদ্ধ মানুষগুলোকে পরিষেবা দিচ্ছে তারজন্য তিনি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। গোকুলম বৃদ্ধাশ্রমের পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান কৃষ্ণ চন্দ্র সিংহরায় ও সেক্রেটারি রবিন মন্ডল বলেন এই অসহায় মানুষ গুলোর জন্য এটি একটি সুখের ঠিকানা। 

এখানে ওই বয়স্ক মানুষগুলোর স্বাচ্ছন্দের দিকটি দেখা হবে।সর্বোপরি এই প্রতিষ্ঠান এই অসহায় বয়স্ক মানুষগুলোকে নিরাপদ আশ্রয় ও নিরাপত্তা দেবে বলে জানান। কৃষ্ণচন্দ্রবাবু আরো জানান যে আপাতত ২৫ জনের মত থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরে চাহিদা মত এই সিট সংখ্যা বাড়ানো হবে। মোটামুটি ভাবে একজন মানুষকে এখানে থাকতে হলে ৬০০০ টাকা মত নেওয়া হবে।



Post a Comment

0 Comments