চৈতন্য মহাপ্রভু'র নামে নব নির্মিত তোরণ উদ্বোধন কাটোয়ার দাঁইহাটে

শতবর্ষে বর্ধমান ডিস্ট্রিক্ট রাইস মিলস অ্যাসোসিয়েশন # উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যের সেরা অদিশা দেবশর্মা, দশের মেধা তালিকায় ২৭২ জন # আধার কার্ডের ফটোকপির অপব্যবহার রুখতে বিজ্ঞপ্তি জারি # ইউনেস্কো'র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজো # বাংলার চিকিৎসক উজ্জ্বল পোদ্দার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরার তালিকায়সরকারি কর্মচারীদের সুখের দিন শেষ, শ্রম কোড চালু হতে চলেছে সমগ্র ভারতে পশ্চিমবঙ্গে কোভিড বিধিনিষেধ প্রত্যাহার #পূর্ব বর্ধমান জেলায় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এর উদ্যোগে খালবিল ও চুনোমাছ উৎসবের উদ্বোধন ২৫ ডিসেম্বর

৮ টি ঠান্ডা বিশুদ্ধ পানীয় জল প্রকল্পের উদ্বোধন


 

৮ টি ঠান্ডা বিশুদ্ধ পানীয় জল প্রকল্পের উদ্বোধন 


অতনু হাজরা, জামালপুর :  বর্তমানে মানুষের একটি বড় সমস্যা পেটের রোগ। যার বেশিরভাগটাই হয় জল থেকে। তাই মানুষের কাছে বিশুদ্ধ ঠান্ডা পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে ৮ টি ঠান্ডা বিশুদ্ধ পানীয় জল প্রকল্পের উদ্বোধন করা হলো। বৃহস্পতিবার এই প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন করেন জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খান। উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার,  জামালপুর ১ পঞ্চায়েতের প্রধান ডলি নন্দী, উপ প্রধান সাহাবুদ্দিন মন্ডল ওরফে পাঞ্জাব সহ অন্যান্যরা।

 বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার বলেন,  এম জি এন আর ই জি এস, সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ও পঞ্চায়েতের নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থ নিয়ে এই প্রকল্প গুলি করা হয়েছে। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খান জানান এই পুজোর সময় পঞ্চায়েত সাধারণ মানুষের জন্য এক দারুন উপহার দিলো। তিনি আরো বলেন,  সরকার এই গুলি করে দিলো কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে এলাকার মানুষকেই। তাই  এলাকার মানুষের কাছে আবেদন রাখেন সকলে যেন নজর দেন এগুলো ভালো রাখার জন্য। বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি বলেন, এখানকার  বেশিরভাগ মানুষই পেটের রোগে ভোগেন যার বেশিরভাগটাই জলবাহিত  রোগ। সে দিকথেকে  এই ঠান্ডা বিশুদ্ধ  পানীয় জল মানুষের কাজে লাগবে।

 তিনি বলেন এই ধরণের জলের মেশিন বা কল যা সাধারণত পৌরসভাতেই দেখতে পাওয়া যায়। সেই সুবিধা আজ জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতি ও পঞ্চায়েতগুলো করছে তারজন্য তিনি তাদের ধন্যবাদ জানান। বর্ধমানের বিভিন্ন পঞ্চায়েত সমিতি ও পঞ্চায়েতেও এই সুবিধা ঠিক মত নেই। উপ প্রধান সাহাবুদ্দিন মন্ডল জানান, তাঁর পঞ্চায়েতের রামনাথপুর, সেলিমাবাদ, কৃষ্ণচন্দ্রপুর, বেত্রাগর এই গ্রামগুলোতে এই জলের প্রকল্প করা হয়েছে। ২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকলের কাছে বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দেবার কথা বলেছিলেন। তাই তাঁরা এই ব্যবস্থা করছেন। আগামীতে আরো এই ধরণের প্রকল্প করা হবে বলে জানান।

Post a Comment

0 Comments