চৈতন্য মহাপ্রভু'র নামে নব নির্মিত তোরণ উদ্বোধন কাটোয়ার দাঁইহাটে

উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যের সেরা অদিশা দেবশর্মা, দশের মেধা তালিকায় ২৭২ জন # মাধ্যমিকে যুগ্ম প্রথম বর্ধমান সিএমএস হাই স্কুলের রৌনক মন্ডল এবং বাঁকুড়ার রাম হরিপুর রামকৃষ্ণ মিশনের অর্ণব ঘড়াই # আধার কার্ডের ফটোকপির অপব্যবহার রুখতে বিজ্ঞপ্তি জারি # ইউনেস্কো'র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজো # বাংলার চিকিৎসক উজ্জ্বল পোদ্দার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরার তালিকায়মাধ্যমিকের পর উচ্চমাধ্যমিকেও তাক লাগালো কাটোয়ার অভীক পশ্চিমবঙ্গে কোভিড বিধিনিষেধ প্রত্যাহার #১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের আন্দোলন

বিধায়কের ভাবনায় বিজয়া সম্মেলনী


 

বিধায়কের ভাবনায় বিজয়া সম্মেলনী 


অতনু হাজরা, জামালপুর : অভিনব ভাবে বিজয়া সম্মেলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করলো জামালপুর ব্লক ও পঞ্চায়েত সমিতি। দুর্গা পূজার আগে পুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে প্রশাসনিক মিটিংয়ে বলা হয়েছিল ২৪৩ টি পুজো কমিটির মধ্যে পরিবেশ, প্রতিমা, মণ্ডপসজ্জা ও আলোকসজ্জা এই চারটি বিভাগে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীদের পুজোর পর বিজয়া সম্মেলনী করে পুরস্কৃত করা হবে। সেই মত পুজোর সময় বিশেষ নির্বাচক মণ্ডলী এই চারটি বিভাগে মোট ১৬ টি পুজো কমিটিকে বেছে নেয়। তাদের আজ পঞ্চায়েত সমিতির স্থায়ী মঞ্চ থেকে ট্রফি ও সার্টিফিকেট দিয়ে পুরস্কৃত করা হলো। পরিবেশে প্রথম হয় জামালপুরের নেতাজী ক্লাব, প্রতিমায় প্রথম হয় কাঠুরিয়াপাড়া বারোয়ারী, আলোকসজ্জায় প্রথম হালারা সার্বজনীন বারোয়ারী ও মণ্ডপ সজ্জায় যুগ্মভাবে প্রথম জৌগ্রাম কলুপুকুর বারোয়ারী ও কালারাঘাট ব্যবসায়ী সমিতি।

 শুধু এটুকুই নয় আজ ২৪৩ টি পুজো কমিটিকে ডেকে সকলের হাতেই কোভিড বিধি মেনে পুজোর আয়োজন ও প্রশাসনকে সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে প্রত্যেকের হাতে একটি সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহমুদ খান, বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার, জামালপুর থানার অফিসার ইন চার্জ মিঠুন কুমার ঘোষ, ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ডা: ঋত্বিক ঘোষ, জয়েন্ট বিডিও গৌতম কুমার দত্ত, বিএলআরও পার্থ ঘোষ, এস এম মৃগাঙ্ক মান্না, সহ সভাপতি দেবু হেমব্রম, এডিএ সঞ্জিবুল ইসলাম সহ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরা, বিভিন্ন পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপ প্রধানরা। 

মেহেমুদ খান, জানান বিধায়কের মাথা থেকেই এই ধরণের একটি অনুষ্ঠানের ভাবনা আসে। তিনি সকল পুজো কমিটিকে সরকারি অনুদানের সঠিক হিসাবপত্র জমা দিতে বলেন ও তার সাথে সকলকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন স্বাধীনতার পর প্রথম এই ধরণের অনুষ্ঠান জামালপুর ব্লকে হলো। বিধায়ক আক্ষেপের সাথে জানান যে রাজ্য সরকার এতোগুলো পুজোকমিটিকে  অনুদান দিলেও অনেক পুজো কমিটিই কিন্তু কৃতজ্ঞতা স্বরূপ একটি মুখ্যমন্ত্রীর ছবি সম্বলিত ফ্লেক্সও লাগাননি। তিনি সকলকে বিজয়ার শুভেচ্ছা জানান। বিডিও সাহেবও তাঁর বক্তব্যে সকল পুজোকমিটিগুলিকে ধন্যবাদ ও বিজয়ার শুভেচ্ছা জানান। জামালপুর থানার ওসি মিঠুন কুমার ঘোষ জানান পুরো দুর্গোৎসবে কোনো অবাঞ্ছিত ঘটনা ঘটেনি সেজন্য তিনি পুজো কমিটি গুলিকে ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠান শেষে সকলকে মিষ্টিমুখ করানো হয়।


Post a Comment

0 Comments