Scrooling

নন্দীগ্রামে বিজেপি সমর্থক খুনে রিপোর্ট চাইলো কমিশন # ১৮ তম লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল জানা যাবে ৪ জুন

ত্রিপুরায় তৃণমূল নেতৃত্বের উপর হামলার প্রতিবাদে মিছিল


 

ত্রিপুরায় তৃণমূল নেতৃত্বের উপর হামলার প্রতিবাদে মিছিল


অতনু হাজরা, জামালপুর : তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায় ও যুব তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বের গাড়িতে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হামলার অভিযোগে উত্তাল গোটা বাংলা। এমনকি দেশের রাজধানী দিল্লিতে ও তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরা ত্রিপুরায় গণতন্ত্র ফেরাতে ধর্ণা আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন। ত্রিপুরার ঘটনার বিরুদ্ধে রাজ্য জুড়ে ধারাবাহিক তারই প্রতিবাদ আন্দোলন চলছে। আজ পূর্ব বর্ধমান জেলায় জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে একটি প্রতিবাদ মিছিল করা হয়। মিছিলে পা মেলান জামালপুরের বিধায়ক অলক কুমার মাঝি, তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান, যুব সভাপতি ভুতনাথ মালিক, জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি সাহাবুদ্দিন মন্ডল, সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি তাবারক আলী মন্ডল, ডাঃ প্রতাপ রক্ষিত, সাহাবুদ্দিন শেখ, জয়দেব দাস সহ বিভিন্ন অঞ্চলের প্রধান, উপ প্রধান ও অসংখ্য তৃণমূল কর্মী ও সমর্থকেরা। মিছিলটি জামালপুর গুহ মার্কেটের ব্লক পার্টি অফিস থেকে শুরু করে জামালপুর বাজার ও থানা মোড় হয়ে বাসস্ট্যান্ডে এসে শেষ হয়। 

সেখানেই একটি পথ সভা হয়। এই পথসভা সঞ্চালনা করেন ব্লকের যুব সভাপতি ভুতনাথ মালিক। এখানে বক্তব্য রাখেন এলাকার বিধায়ক অলক কুমার মাঝি, ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান সহ অন্যান্যরা। ভুতনাথ মালিক তাঁর বক্তব্যে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ও ত্রিপুরার বিজেপি সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, সর্ব ভারতীয় ক্ষেত্রেই বিজেপির পায়ের তলায় মাটি সরে যাচ্ছে। সারা দেশের নেতারা পশ্চিমবঙ্গে পড়ে থাকলেও তৃতীয় বারের জন্য মমতা ব্যানার্জিকে মুখ্যমন্ত্রী হতে আটকাতে পারেনি।

 অলক মাঝি ভোটপরবর্তী অবস্থায় মানবধিকারের নামে কিভাবে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কর্মীদের ফাঁসানো হচ্ছে, কেস দেওয়া হচ্ছে। অথচ সেরকম কোনো ঘটনাই ঘটেনি। তৃণমূলের যারা আক্রান্ত তাদের কাছেই যাচ্ছেন না মানবাধিকার কমিশনের লোকেরা। আর যখন ত্রিপুরায় গিয়ে তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায় সহ যুব নেতা নেত্রীরা আক্রান্ত হচ্ছেন তখন মানবাধিকার কমিশন চুপ। মেহেমুদ খান বলেন তৃণমূল হিংসার রাজনীতি বা দাঙ্গার রাজনীতি করে না। নেত্রী তা করতে দেন না। নাহলে আজ অন্য পরিস্থিতি হত পশ্চিমবঙ্গে। যে বিজেপি প্রতিনিয়ত তৃণমূলের ক্ষতি করার চিন্তা করছে আর দুদিন পর দেখা যাবে তাদের পরিবারের লোকেরাই লক্ষ্মীর ভান্ডারের ফর্ম জমা করছেন দুয়ারে সরকারে। মমতা ব্যানার্জী কোনো দল দেখে উন্নয়ন করেন না। মিছিলে লোকসংখ্যাই প্রমান করে মানুষের কতটা আবেগ তৃণমূলের প্রতি।