চৈতন্য মহাপ্রভু'র নামে নব নির্মিত তোরণ উদ্বোধন কাটোয়ার দাঁইহাটে

উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যের সেরা অদিশা দেবশর্মা, দশের মেধা তালিকায় ২৭২ জন # মাধ্যমিকে যুগ্ম প্রথম বর্ধমান সিএমএস হাই স্কুলের রৌনক মন্ডল এবং বাঁকুড়ার রাম হরিপুর রামকৃষ্ণ মিশনের অর্ণব ঘড়াই # আধার কার্ডের ফটোকপির অপব্যবহার রুখতে বিজ্ঞপ্তি জারি # ইউনেস্কো'র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজো # বাংলার চিকিৎসক উজ্জ্বল পোদ্দার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরার তালিকায়মাধ্যমিকের পর উচ্চমাধ্যমিকেও তাক লাগালো কাটোয়ার অভীক পশ্চিমবঙ্গে কোভিড বিধিনিষেধ প্রত্যাহার #১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের আন্দোলন

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে 'আকাশ' পরিবারের বৃক্ষরোপণ


 

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে 'আকাশ' পরিবারের বৃক্ষরোপণ


অতনু হাজরা, জামালপুর : পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হলো 'আকাশ'। তাদের কথায় আকাশ পরিবার। আজ ৫ই জুন, বিশ্বপরিবেশ দিবস। আজকের এই বিশেষ দিনকে সামনে রেখে এক অভিনব উদ্যোগ আকাশ পরিবারের। আজ তারা জামালপুর ব্লক অফিসে এসে প্রচুর বৃক্ষ ও গুল্ম জাতীয়, ফল ও ফুল গাছের চারা রোপন করে। তাদের এই উদ্যোগে সামিল হন সদ্য নির্বাচিত এলাকার বিধায়ক অলক কুমার মাঝি, ছিলেন বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খান। বিধায়ক নিজে কোদাল হাতে গর্ত খুঁড়ে গাছ লাগান। 




অলক বাবু বলেন আজকের দিনে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আজ বিভিন্ন জায়গায় গাছ লাগানো হয়। কোভিড অতিমারি আবহে এবারে পরিস্থিতি একটু আলাদা। তিনি আকাশ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে ধন্যবাদ জানান এই ধরণের কাজে এগিয়ে আসার জন্য। বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার বলেন, সরকারের সাথেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে আকাশ। তারা ব্লক জুড়ে বা তার বাইরেও নানা ধরণের সমাজসেবা মূলক কাজ করে থাকে। আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবসে তাদের এই কাজের প্রশংসা করেন তিনি। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহমুদ খান বলেন এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি সারা বছরই ব্লক জুড়ে নানা কাজ করে থাকে এবং যেকোনো সামাজিক কাজেই এদের পাওয়া যায়। তিনি এই সংগঠনটিকে তাঁর পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অয়ন চক্রবর্তী জানান, নিরবিচ্ছিন্নভাবে সারা বছর বিভিন্ন ধরণের সামাজিক কাজ তাঁরা করে থাকেন। 




বছরেে অন্তত তিনবার তাঁরা এই বৃক্ষরোপন কর্মসূচি করে থাকেন। আজ ব্লক অফিসে গাছ বসানোর সাথে সাথে ব্লকে যারা কোভিড মুক্ত হয়েছেন তাদের হাতেও আজ একটি করে গাছের চারা তাঁরা তুলে দেন। কারণ এই অতিমারিতেই মানুষ বুঝতে পেরেছে অক্সিজেনের মূল্য। তাই গাছ লাগানো ছাড়া আর অন্য কোনো বিকল্প নেই। প্রসঙ্গত এই কোভিড অতিমারিতে আকাশ সংগঠন কোভিড আক্রান্ত মানুষের বাড়িতে অক্সিজেন ও খাবার পৌঁছে দেওয়ার মত মহৎ কাজ করে চলেছে। অয়নবাবু ছাড়াও এই সংগঠনে সর্বক্ষণ কাজ করে চলেছে একদল কলেজ স্টুডেন্ট। তারা হলো অর্ধেন্দু, সৌরভ, জাহাঙ্গীর, রবিউল, ঋত্বিক, পৌলমি, মন্দিরা, পিয়ালী, মৌসুমী, সাগরিকা সহ অন্যান্যরা। এদের এই প্রয়াস সত্যিই প্রশংসা যোগ্য।




Post a Comment

0 Comments