Scrooling

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব পদে নন্দিনী চক্রবর্তী # রজতজয়ন্তী বর্ষে সংবাদ প্রভাতী পত্রিকা। সকল পাঠক-পাঠিকা বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি শুভেচ্ছা # আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বঙ্গতনয়া, ৮২তম ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অরিজন্তি বিভাগে সেরা পরিচালকের খেতাব জয় করলেন চিত্রপরিচালক অনুপর্ণা রায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর শুভেচ্ছা। # বর্ধমানে জাতীয় সড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ১১ পুণ্যার্থীর মৃত্যু। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর # UGC NET 2025-এ অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক-১ করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পিএইচডি স্কলার নিলুফা ইয়াসমিন # উচ্চ মাধ্যমিকের পর নিটেও রাজ্যে প্রথম বর্ধমানের রূপায়ণ পাল। # ষষ্ঠ সিন্ধু জিব্রাল্টার জয় করে ইতিহাসের পাতায় সায়নী # 'দাদাসাহেব ফালকে' সম্মানে ভূষিত হলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী

অবশেষে টনক নড়েছে


 

অবশেষে টনক নড়েছে


ডিজিটাল ডেস্ক রিপোর্ট, সংবাদ প্রভাতী : অবশেষে টনক নড়লো নির্বাচন কমিশনের। আজই ভারতের নির্বাচন কমিশনের তরফে সিনিয়র পিআর সেক্রেটারি সুমিত মুখার্জী পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, তামিলনাড়ু, কেরালা এবং পন্ডিচেরির রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে এক চিঠিতে জানিয়েছেন গণনা শেষে বিজয় মিছিল অনুমতিযোগ্য হবে না। চিঠিটি সময়োপযোগী হলেও বাস্তবিক ক্ষেত্রে হাস্যস্পদ বলেই মনে করছেন সাধারণ নাগরিকরা। পশ্চিমবঙ্গ সহ অন্যান্য রাজ্যে করোনা অতিমারি ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়ার জন্য তাঁরা সরাসরি নির্বাচন কমিশনের দিকেই আঙ্গুল তুলেছেন। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে আট দফা ভোটের মাধ্যমে করোনা সংক্রমণের পথ প্রসস্থ করেছে নির্বাচন কমিশন। নাগরিকদের সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও সমস্বরে কমিশনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে করোনা সংক্রমণের ব্যাপকতার দায় নির্বাচন কমিশনের উপরেই বর্তাবে। রাজ্যের নাগরিকদের সুরক্ষার দায় নির্বাচন কমিশনকেই নিতে হবে। অসংখ্য মিছিল, মিটিং, রোডশো, বিপুল জনসমাবেশ, বিভিন্ন রাজ্যের নেতা-নেত্রীদের আনাগোনা সবমিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। যখন গোটা রাজ্যের মানুষ করোনা আতঙ্কে অজানা আশঙ্কায় ভয়ে কুঁকড়ে যাচ্ছেন। বরিষ্ঠ নাগরিকদের করোনার ভ্যাকসিন নিতে রাত দুটো থেকে লাইন দিতে হচ্ছে। হাসপাতালের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছেন রোগীর আত্মীয় পরিজন। অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়তে দেখছেন আত্মজনকে। স্বজন হারানোর কান্নায় পরিবেশ থমথমে হয়ে উঠছে। অথচ হেলদোল নেই কমিশনের কর্তাদের। নাগরিকরা বলছেন, মাদ্রাজ হাইকোর্টের বার্তার পরেই ভয় পেয়ে নির্বাচন কমিশন নড়েচড়ে বসেছে। সব কিছু হয়ে যাবার এখন আদালতের ভয়ে বিজয় মিছিলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তাই রাজ্যবাসীর কাছে নির্বাচন কমিশনকে জবাবদিহি করতে হবে। এমনটাই বলছেন সচেতন নাগরিকরা।