চৈতন্য মহাপ্রভু'র নামে নব নির্মিত তোরণ উদ্বোধন কাটোয়ার দাঁইহাটে

শতবর্ষে বর্ধমান ডিস্ট্রিক্ট রাইস মিলস অ্যাসোসিয়েশন # উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যের সেরা অদিশা দেবশর্মা, দশের মেধা তালিকায় ২৭২ জন # আধার কার্ডের ফটোকপির অপব্যবহার রুখতে বিজ্ঞপ্তি জারি # ইউনেস্কো'র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজো # বাংলার চিকিৎসক উজ্জ্বল পোদ্দার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরার তালিকায়সরকারি কর্মচারীদের সুখের দিন শেষ, শ্রম কোড চালু হতে চলেছে সমগ্র ভারতে পশ্চিমবঙ্গে কোভিড বিধিনিষেধ প্রত্যাহার #পূর্ব বর্ধমান জেলায় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এর উদ্যোগে খালবিল ও চুনোমাছ উৎসবের উদ্বোধন ২৫ ডিসেম্বর

বাংলার নির্বাচনে বিভিন্ন সংস্কৃতির হিড়িকে "টুম্পা সোনাই" এগিয়ে


 

বাংলার নির্বাচনে বিভিন্ন সংস্কৃতির হিড়িকে "টুম্পা সোনাই" এগিয়ে


 🟣 রাধামাধব মণ্ডল 


➡️ এবার ভোটের সংস্কৃতিতে "টুম্পা"র হিড়িক! টুম্পাই তাহলে জয় করে আনবে, সিট! ৭% কে শুধু নয়, ৩৯%, ৪৩% কে ভরসা জুগিয়েছে গান! আর সত্যিই টুম্পা রাজত্ব জেতাবে কি না, জানা যাবে, ২ রা মে-র পর। তবে টুম্পা যে তরুণ বামপন্থাকে নতুন ভাবে উৎজীবিত করেছে, সে নিয়ে কোনো বিতর্কই নেই! নামিয়েছে পথেও। নির্বাচনের আগেই মোটামুটি ভাবে টুম্পা জায়গা করে নিয়েছে গণতন্ত্রের উৎসবে। মিডিয়াতেও টুম্পা এগিয়ে! ২০২১ নির্বাচনে সংস্কৃতিকেই ভরসা করে, লড়াইএ নেমেছে সমস্ত দল! সত্যিই মনে হচ্ছে, এ-যেন বাংলার নির্বাচন বটে। বাংলা সংস্কৃতির ব্যবহারে নির্বাচনের বৈতনী পার হয়েছে বছরের পর বছর বামপন্থীরা। সেই বামেরা এবারও টুম্পার লিড়িক বেঁধেছে ভোটের লড়াইএ। গান বেঁধেছে তৃণমূল, বিজেপিসহ নানান রাজনৈতিক ব্যক্তি, সংস্কৃতিক ব্যক্তিরাও নেমেছে ২১ শে-র ভোটের লড়াইএ। 

বাবুলের গান এখনও আসেনি ভোটবাজারে। তবে ভোটের বাদ্যি না বাজতে বাজতেই টুম্পা মাতানোর পাশাপাশি বাজারে এসেছে কবীর সুমনের গান। বাজারে এসেছে অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষের কথাভাষ্য। আসছে নানা অচেনা অজানা শিল্পীর গান। সেই সঙ্গে আসছে আভিধানিক সংস্কৃতির লড়াইএ বাংলার অস্মিতা, গৌরবের কথা। এরই মাঝেমাঝে বাংলার ভোটমঞ্চে আসতে শুরু করেছে চিরদিনের কুভাষ্য! 

হিড়িক চলছেই! কেবল দলবদলেছে! কেন্দ্রের প্রার্থী বদলায়নি বেশ কয়েকটি জায়গায়। সেই রবীন্দ্রনাথ, সেই রাজীব, সেই প্রবীর ; একই আছেন! কেবল ঘাসফুল থেকে তারা এখন জলফুল পদ্মের দলে! 

"বিশ্বাসঘাতক" শব্দটা এই নির্বাচনে খুব বেশি সামনে এসেছে। কিছু প্রচারের চমকও এনেছেন রাজনৈতিক কারবারিরা। অথচ বাংলার নির্বাচনে চিরদিনের অংশগ্রহণকারীরা এবার এখনও নিশ্চুপ! নেই তেমন দেওয়াল লিখন! আগের চাইতে কমেছে। আর সোশাল মিডিয়াতে প্রচারে বেড়েছে জোড়! মিটিং, মিছিলের লাইনে এখন আর তেমন ডাক পরে না বাংলার ঢাকি, ঢোল শিল্পীদের। কাজ নেই। পথনাটক শিল্পীরা, কুটকচালি শিল্পীরা, যাত্রাশিল্পীরা এবারও নেই গণতন্ত্রের উৎসবে! 

ফলে আদতে বাংলার চিরাচরিত সংস্কৃতির শিল্পীরা এবারও রয়েছে গণতন্ত্রের উৎসব থেকে দূরে! ফলে ভিড় বাড়ছে হিংসার ইঙ্গিতবহ তাৎপর্যের অরাজনৈতিক শ্লোগানের। 'খেলা হবে'!

Post a Comment

0 Comments