চৈতন্য মহাপ্রভু'র নামে নব নির্মিত তোরণ উদ্বোধন কাটোয়ার দাঁইহাটে

শতবর্ষে বর্ধমান ডিস্ট্রিক্ট রাইস মিলস অ্যাসোসিয়েশন # উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যের সেরা অদিশা দেবশর্মা, দশের মেধা তালিকায় ২৭২ জন # আধার কার্ডের ফটোকপির অপব্যবহার রুখতে বিজ্ঞপ্তি জারি # ইউনেস্কো'র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজো # বাংলার চিকিৎসক উজ্জ্বল পোদ্দার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরার তালিকায়সরকারি কর্মচারীদের সুখের দিন শেষ, শ্রম কোড চালু হতে চলেছে সমগ্র ভারতে পশ্চিমবঙ্গে কোভিড বিধিনিষেধ প্রত্যাহার #পূর্ব বর্ধমান জেলায় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এর উদ্যোগে খালবিল ও চুনোমাছ উৎসবের উদ্বোধন ২৫ ডিসেম্বর

নরেন - ঝিনুকের স্বপ্নেবোনা "সুন্দরবনের গপ্পো" এবার ২৬ মার্চ আসছে সিনেমা হলে


 

নরেন - ঝিনুকের স্বপ্নেবোনা "সুন্দরবনের গপ্পো" এবার ২৬ মার্চ আসছে সিনেমা হলে


🟣 রাধামাধব মণ্ডল 


 ➡️ নোনাজলের মাটি আর মানুষ, সেই সঙ্গে নিবিড় ভাবে জড়িয়েছে প্রকৃতি আর জীবজন্তু। বাংলা সিনেমার রূপোলী পর্দায় এ এক অন্যরকম গল্প! যে গল্পের শরীরে সমস্তশক্তিই মৃত্যুর পথে দাঁড়িয়ে। সুন্দর বনের জল, জীবন ও জঙ্গলের গল্প শুধু নয়। এগল্পে ফুটে উঠেছে এক দীর্ঘ শৈশব। যে শৈশব এক মনস্তত্ত্ববিদ্যার গণ্ডিতে শক্তিশালী। চলচিত্র নির্মাতা আদরের সঙ্গে বলেছেন এ গল্প নয়, এ"গপ্পো, সুন্দরবনের গপ্পো"। গপ্পোবাজ পরিচালক এই ছবিতে মাটি, মানুষের নিবেদনকেই ধরেছেন, প্রেমের গাঁথুনিতে। "Destination পিকচার" ও এস এম ডি এণ্টারটেইনমেন্ট যৌথ নিবেদনে, এপ্রজন্মের তরুণ পরিচালক প্রদীপ মিস্ত্রী পরিচালিত নতুন গল্পে জল, জীবন আর জঙ্গলের পরিবেশে বোনা ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে আগামী ২৬ শে মার্চ। বাংলা সিনেমার চিরাচরিত ধারাকে বদলে দেয়, এই ছবি "সুন্দরবনের গপ্পো"।




সুন্দরবনের লড়াই এবার বড় পর্দায়। পরিচালক প্রদীপ মিস্ত্রীর হাত ধরে এবার ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন হলের বড় পর্দায়। ছবিটিতে চিত্রগ্রাহকের কাজ করেছেন প্রিয়রঞ্জন বেহেরা। ছবিটি সম্পাদনা করেছেন অরিন্দম গায়েন। এবং পরিচালক প্রদীপ মিস্ত্রী নির্মিত, পরিচালিত প্রথম বাংলা ছবি "সুন্দরবনের গপ্পো "। ছবিটির প্রযোজক শুভঙ্কর বিশ্বাস ও সন্দীপ মণ্ডল। রহস্যেমোড়া, রোমাঞ্চে ভরা গল্পের ভিতর দিয়ে এছবি ছুঁয়ে গেছে সুন্দরবনের শৈশবকে।




 সুন্দরবনের প্রকৃতিবন্দনাই এছবির দৃশ্যপট হয়েছে সুন্দর। সুন্দরবনের সেই জঙ্গলজীবনের টিকে থাকার লড়াই-ই এবার বড়পর্দায়। সুন্দরবনের মানুষের বেঁচে থাকার অসহনীয় লড়াই এছবির প্রাণশক্তি। আর তার সঙ্গে জুড়ে গেছে দুই শিশুর বেড়ে ওঠাটা। সেটাই ছবিটিকে আগামী উত্তরণের জন্য নিয়ে গেছে চালিকাশক্তি হয়ে।




 দুই শিশুশিল্পীর চরিত্রে অভিনয় করেছে অবিনাশ রায় ও রোহিনী সেন। নরেন হয়েছে অবিনাশ আর রোহিণী হয়েছে ঝিনুক। এছাড়াও প্রখ্যাত অভিনেতা দেবেশ রায়চৌধুরী করেছেন রহমান ডাকাতের চরিত্রে অভিনয়। যিনি সুন্দরবনের ডাকাত! একটি বিশেষ চরিত্রে জেলে হিসেবে অভিনয় করেছেন বিশিষ্ট অভিনেতা শান্তিলাল মুখার্জী। চেনা ছকের বাইরে পরিচিতরা! ছবির আবহ করেছেন রবীন লাই ও বিশ্বজিৎ কাঞ্চিলাল। ছবির সংগীত পরিচালক প্রসেনজিৎ দে। ছবিতে দৃশ্যপট তৈরি করেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন শিল্পী উম্মাদ ঢালি। 




ছবির মূলচরিত্র ঝিনুক। সে এক ডাকাত কন্যা। সেই ছবিটিতে পথ দেখিয়েছে গল্পের গোলকধাঁধাতে পড়া নরেনকে। 

রহস্যেমোড়া জীবনের ইতিবৃত্ত পেরিয়ে ঝিনুক ও নরেন পথ খুঁজেছে আলোর। এবার দেখা যাক বাংলা সিনেমার অন্দরে, পথ খুঁজে পায় কি না পরিচালক প্রদীপ মিস্ত্রীর "সুন্দরবনের গপ্পো"। প্রদীপও সুন্দরবনের মানুষ। ফলে খুব কাছ থেকে দেখেছে সেখানকার জীবনের লড়াই। মধু,কাঠের খোঁজে গিয়ে কত মানুষ যে হারিয়ে যায়। সেই কঠিন বাস্তবতাকে অতিক্রম করেই সেখানকার মানুষ আলো দেখে।



Post a Comment

0 Comments