Scrooling

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বঙ্গতনয়া, ৮২তম ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অরিজন্তি বিভাগে সেরা পরিচালকের খেতাব জয় করলেন চিত্রপরিচালক অনুপর্ণা রায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর শুভেচ্ছা। # রজতজয়ন্তী বর্ষে সংবাদ প্রভাতী পত্রিকা। সকল পাঠক-পাঠিকা বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি শুভেচ্ছা # বর্ধমানে জাতীয় সড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ১১ পুণ্যার্থীর মৃত্যু। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর # UGC NET 2025-এ অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক-১ করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পিএইচডি স্কলার নিলুফা ইয়াসমিন # উচ্চ মাধ্যমিকের পর নিটেও রাজ্যে প্রথম বর্ধমানের রূপায়ণ পাল। # ষষ্ঠ সিন্ধু জিব্রাল্টার জয় করে ইতিহাসের পাতায় সায়নী # 'দাদাসাহেব ফালকে' সম্মানে ভূষিত হলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী

কর্মবিরতি : রাজ্য জুড়ে বিদ্যুৎ পরিষেবা অচল হওয়ার সম্ভাবনা


 

কর্মবিরতি : রাজ্য জুড়ে বিদ্যুৎ পরিষেবা অচল হওয়ার সম্ভাবনা


ডিজিটাল ডেস্ক রিপোর্ট, সংবাদ প্রভাতী : আগামী ২ ও ৩ ফেব্রুয়ারি রাজ্য জুড়ে বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। যদি কোনো সমস্যা হয় কাজ করাবার কর্মী পাওয়া যাবে কিনা সেই আশঙ্কা ক্রমশঃ প্রকট হচ্ছে। কারণ ওই দু'দিন রাজ্যের চুক্তিভিত্তিক ও ঠিকাকর্মীরা কর্মবিরতি পালন করবে। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য চুক্তিভিত্তিক ও ঠিকাকর্মীরা ঐক্য মঞ্চ সাত দফা দাবিতে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে।

শনিবার সংগঠনের পক্ষ থেকে বর্ধমান কালেক্টরেট রিক্রিয়েশন ক্লাবের সভাকক্ষে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই জানান নেতৃত্ব। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ চুক্তিভিত্তিক ও ঠিকাকর্মী ঐক্য মঞ্চের রাজ্য কনভেনর মন্ডলীর সদস্য সোমনাথ চ্যাটার্জী ও পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির সদস্য মণিরুল ইসলাম সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, রাজ্যে প্রায় ৫০ হাজার জীবন জীবিকা নিয়ে চরম সঙ্কটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। বারবার রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেও কোন লাভ হয়নি। ন্যূনতম মজুরি, নেই কাজের নিশ্চয়তা। সব চেয়ে বড় কথা বিদ্যুৎ দপ্তরের কাজ করলেও তাদের স্বীকৃতি নেই। তাদের পরিচয় নির্মাণ শ্রমিক। বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে তাদের মতো কর্মীদের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। অথচ এই কর্মীরাই চরম বঞ্চনার শিকার। সরকারের কাছে বহুবার আবেদন নিবেদন করেও কোনো সদুত্তর মেলেনি। তাই বাধ্য হয়েই তারা কর্মবিরতির পথে পা বাড়িয়েছেন। 

সোমনাথবাবু জানান, তাদের মূল দাবি হলো অবিলম্বে ন্যূনতম ২১ হাজার ৬০০ টাকা বেতন দিতে হবে। নির্মাণ শ্রমিকের পরিবর্তে বিদ্যুৎ শ্রমিকের স্বীকৃতি দিতে হবে। ৬০ বছর পর্যন্ত কাজের নিশ্চয়তা দিতে হবে। কোনো ক্ষেত্রেই কর্মী ছাঁটাই করা চলবে না। ২০০৭ এর ও এ অনুযায়ী ২০ শতাংশ চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের মধ্যে থেকে শূন্য পদে নিয়োগ করতে হবে ইত্যাদি দাবিতে পঃবঃ রাজ্য বিদ্যুৎ চুক্তিভিত্তিক ও ঠিকাকর্মী ঐক্য মঞ্চ ২ ও ৩ ফেব্রুয়ারি দু'দিনের কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে।