Scrooling

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব পদে নন্দিনী চক্রবর্তী # রজতজয়ন্তী বর্ষে সংবাদ প্রভাতী পত্রিকা। সকল পাঠক-পাঠিকা বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি শুভেচ্ছা # আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বঙ্গতনয়া, ৮২তম ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অরিজন্তি বিভাগে সেরা পরিচালকের খেতাব জয় করলেন চিত্রপরিচালক অনুপর্ণা রায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর শুভেচ্ছা। # বর্ধমানে জাতীয় সড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ১১ পুণ্যার্থীর মৃত্যু। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর # UGC NET 2025-এ অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক-১ করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পিএইচডি স্কলার নিলুফা ইয়াসমিন # উচ্চ মাধ্যমিকের পর নিটেও রাজ্যে প্রথম বর্ধমানের রূপায়ণ পাল। # ষষ্ঠ সিন্ধু জিব্রাল্টার জয় করে ইতিহাসের পাতায় সায়নী # 'দাদাসাহেব ফালকে' সম্মানে ভূষিত হলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী

বালির লরি উল্টে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুতে ২৪ ঘন্টার মধ্যেই রাজ্য সরকারের ক্ষতিপূরণ প্রদান


 

বালির লরি উল্টে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুতে ২৪ ঘন্টার মধ্যেই রাজ্য সরকারের ক্ষতিপূরণ প্রদান


ডিজিটাল ডেস্ক রিপোর্ট, সংবাদ প্রভাতী : পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরে নিয়মের অতিরিক্ত বালি বোঝাই লরি উল্টে একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যুর ঘটনায় ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ক্ষতি পূরণ দিল জেলা প্রশাসন। শুক্রবার মৃতদের জন্য দু'লক্ষ করে ও আহতকে পঞ্চাশ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। এদিন জেলা শাসকের মিটিং হলে ক্ষতিপূরণ বাবদ মোট সাড়ে ছ'লক্ষ টাকা পরিবারের হাতে তুলে দেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। উপস্থিত ছিলেন নতুন জেলাশাসক মহঃ এনাউর রহমান, জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখার্জি।

  বৃহস্পতিবার রাতে জামালপুরে রাস্তার পাশে একটি বাড়ির উপর ওভারলোডেড বালি বোঝাই লরি উল্টে মৃত্যু হয় একই পরিবারের ৩ জনের। মৃতরা হলেন সন্ধ্যা বাউরি (৩০), রিঙ্কু বাউরি (১৪) ও রাহুল বাউরি (১২)। মৃতরা সম্পর্কে মা মেয়ে ও ছেলে। আহত হন আরও একজন। তিনি সন্ধ্যা বাউরির স্বামী প্রশান্ত বাউরি। মৃত ও জখমরা সকলে জামালপুরের মুইদিপুর গ্রামের বাসিন্দা।

  বৃহস্পতিবার রাতে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনাটি ঘটে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার জ্যোৎশ্রীরাম পঞ্চায়েতের মুইদিপুর এলাকায়। মৃত্যুর খবর এলাকায় জানাজানি হতেই মুইদিপুর গ্রামে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশের উপরেও জনরোষ আছড়ে পড়ে। পুলিশের গাড়িতেও ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতা। কয়েকজন পুলিশ কর্মী জখম হন। পরে জনরোষ এলাকার বালিখাদানেও গিয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ মানুষজন ওই এলাকার বালিখাদানেও চড়াও হয়। তারা বালি খাদানের অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয়। ক্ষুব্ধ জনতার অভিযোগ বেআইনি বালির জন্যই চলে গেল তিনটি তাজা প্রাণ। উল্টে পুলিশ উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের নামে লাঠিচার্জও করে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে কোন রকমে বিক্ষুব্ধ মানুষজনকে হঠিয়ে দিয়ে মৃত ও জখমদের উদ্ধার করে । 

বেশ কয়েকদিন ধরে মুইদিপুর এলাকার বাঁধের রাস্তা দিয়ে ওভারলোড বালির লরির যাতায়াত বেড়ে যাওয়ায় এলাকার মানুষজন বালির লরি আটকে রেখে বিক্ষোভও দেখিয়েছিলেন। স্থানীয়দের অভিযোগ যখনই মানুষ প্রতিবাদে সরব হয় তখনই পুলিশ গ্রামে গিয়ে ব্যবস্থা নেবার আশ্বাস দিয়ে আটকে রাখা লরি ছাড়িয়ে দায় সারে। তাঁর পরিনতি বৃহস্পতিবার রাতের মর্মান্তিক ঘটনা।