Scrooling

নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রীসভায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে শপথ নিলেন ডঃ সুকান্ত মজুমদার ও শান্তনু ঠাকুর # অ্যালার্জিজনিত সমস্যায় ভুগছেন ? বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ অয়ন শিকদার আগামী ২১ জুলাই বর্ধমানে আসছেন। নাম লেখাতে যোগাযোগ 9734548484 অথবা 9434360442 # আঠারো তম লোকসভা ভোটের ফলাফল : মোট আসন ৫৪৩টি। NDA - 292, INDIA - 234, Others : 17 # পশ্চিমবঙ্গে ভোটের ফলাফল : তৃণমূল কংগ্রেস - ২৯, বিজেপি - ১২, কংগ্রেস - ১

শুভেন্দু অধিকারী'র অনুগামীদের সামাজিক কর্মসূচি


 

শুভেন্দু অধিকারী'র অনুগামীদের সামাজিক কর্মসূচি


 অতনু ঘোষ, মেমারি : রাজনৈতিক কথা তিনি রাজনৈতিক মঞ্চ থেকেই বলবেন, অরাজনৈতিক মঞ্চ থেকে নয়। সেই শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামীরা জেলায় জেলায় বলা ভালো গোটা রাজ্যেই পোস্টার ব্যানারে এবং মোবাইল বার্তায় ছয়লাপ করে দিচ্ছে। ‘লড়াইয়ের ময়দানে দেখা হবে।’ কাদের উদ্যেশ্যে এই বার্তা সেটা পরিষ্কার ভাবে না বললেও জল্পনা চলছে জোর কদমে।



রাজ্যে দিদি বলতে একজনকেই বোঝানো হয়ে থাকে, তিনি হলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর দাদা হলেন ক্রিকেটার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তবে তৃণমূল কর্মীদের এই নয়া দাদা হলেন রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কোথাও কোথাও শুভেন্দু অধিকারী'র পোস্টার গলায় ঝুলিয়ে বা শুভেন্দু অধিকারী'র ছবি ছাপা গেঞ্জি পড়ে দলীয় পতাকা ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে দেখা গেছে বেশ কিছু মানুষকে। যারা নিজেদের শুভেন্দু অধিকারী'র অনুগামী বলতেই পছন্দ করে। তাদের নতুন পরিচয় হচ্ছে ‘দাদার অনুগামী’। এই নামেই চলছে মিটিং-মিছিল। বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচীও নিজেদের ‘দাদার অনুগামী’ হিসেবেই পরিচয় দিচ্ছেন তাঁরা।দিদিকে ভুলে তৃণমূলের বহু কর্মী এখন ‘দাদার অনুগামী’ এই অবস্থায় সারা বাংলায় ‘দাদার অনুগামী’দের দৌরাত্ম একটা নয়া বার্তা দিচ্ছে।



 পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি বিধানসভার শ্যামনগর গ্রামের তরুণ সংঘের জগধাত্রী পুজো উপলক্ষে জাতি, ধর্ম, দল নির্বিশেষে গ্রামের বেশকিছু দরিদ্র মানুষের হাতে নতুন বস্ত্র ও করোনা সচেতনতায় মাক্স স্যানিটাইজার তুলে দিলেন মেমারি বিধানসভার দাদার অনুগামীরা। অনুগামী পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলার দাদার অনুগামীর প্রধান সেনাপতি সুজন সর্দার সর্দার অজয় হাটি সহ বেশ কিছু মহিলা শুভেন্দু বাবুর অনুগামী টিম। দাদার অনুগামীদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে শ্যামনগর তরুণ সংঘের সদস্যবৃন্দ ও গ্রামবাসীরা।