চৈতন্য মহাপ্রভু'র নামে নব নির্মিত তোরণ উদ্বোধন কাটোয়ার দাঁইহাটে

শতবর্ষে বর্ধমান ডিস্ট্রিক্ট রাইস মিলস অ্যাসোসিয়েশন # উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যের সেরা অদিশা দেবশর্মা, দশের মেধা তালিকায় ২৭২ জন # আধার কার্ডের ফটোকপির অপব্যবহার রুখতে বিজ্ঞপ্তি জারি # ইউনেস্কো'র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজো # বাংলার চিকিৎসক উজ্জ্বল পোদ্দার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরার তালিকায়সরকারি কর্মচারীদের সুখের দিন শেষ, শ্রম কোড চালু হতে চলেছে সমগ্র ভারতে পশ্চিমবঙ্গে কোভিড বিধিনিষেধ প্রত্যাহার #পূর্ব বর্ধমান জেলায় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এর উদ্যোগে খালবিল ও চুনোমাছ উৎসবের উদ্বোধন ২৫ ডিসেম্বর

জাতের নামে বজ্জাতি করছে বিজেপি, এমনই অভিযোগ তৃণমূল যুবনেতার


 

জাতের নামে বজ্জাতি করছে বিজেপি, এমনই অভিযোগ তৃণমূল যুবনেতার


রাধামাধব মণ্ডল


অনৈতিক ভাবে কৃষি বিল পাশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা করলো রামনগর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার বিকেলে এই প্রতিবাদ সভাটি হয়, পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম ২ ব্লকের রামনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ছোড়া গ্রামের ধর্মরাজ তলায়। কেন্দ্রের একাধিক কৃষক বিরোধী নীতির প্রতিবাদে, অনৈতিক ভাবে বিরোধী শূন্য কক্ষে কৃষি বিলকে কৃষি কালা আইনে পাশ করিয়ে নেওয়ার প্রতিবাদে গোটা দেশে বিরোধী দল গুলোর আওয়াজ তোলা শুরু হয়েছে। দেশের প্রধান বিরোধী শক্তি কংগ্রেসের পাশাপাশি, এরাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেসও কেন্দ্রের এই বিল ও আইনের বিরোধীতা করে নেমেছে পথে। সোচ্চার হয়েছেন গোটা দেশের কৃষকদের স্বার্থে। শুধু তাই নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল উত্তর প্রদেশের হাথরাসের ঘটনাতেও পথে নেমেছে। প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছেন হাথরাসে নির্যাতিতার বাড়িতে।



রামনগরের ছোড়া গ্রামের এই প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন রামনগর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি আসগর শেখ, কৃষকনেতা দেবদাস সরকার, শিক্ষক নেতা অর্ঘ্য বিশ্বাস, যুবনেতা সাত্যকী ঘোষ, বিনোদ বালা, উত্তম বাউড়ি, বাদল মজুমদার, রামনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুকুমার আঁকুড়ে, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য স্বপন বাগ্দীরা।

সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রামনগর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি আসগর শেখ বলেন, "গ্রাম স্তরের কোনো নেতা-কর্মীরা ভুর করলে, তা আমাদেরকে জানান। দলকে ভুল বুঝবেন না। একজন মানব দরদি মুখ্যমন্ত্রী, এবং মানব দরদি সরকারকে আপনারা ভুল বুঝবেন না।"

সভার শেষে বক্তব্য রাখতে উঠে যুবনেতা সাত্যকী ঘোষ বলেন, "এই জিও-র সরকার, মোদীর সরকার। ভোট এলেই রিচার্জ কমায়। আর ভোট পার হলেই, রিচার্জ খরচ বাড়িয়ে দেয়। তখন গরীবের সিম গুলো অকেজো হয়ে যায়। বহুকষ্টে কেনা ফোনটাও তখন আর চলে না। কথা বলা যায় না। তাই একটু ভাববেন। জাতের নামে, বজ্জাত বিজেপিকে যেন আমরা বিশ্বাস না করি।"

Post a Comment

0 Comments