চৈতন্য মহাপ্রভু'র নামে নব নির্মিত তোরণ উদ্বোধন কাটোয়ার দাঁইহাটে

উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যের সেরা অদিশা দেবশর্মা, দশের মেধা তালিকায় ২৭২ জন # মাধ্যমিকে যুগ্ম প্রথম বর্ধমান সিএমএস হাই স্কুলের রৌনক মন্ডল এবং বাঁকুড়ার রাম হরিপুর রামকৃষ্ণ মিশনের অর্ণব ঘড়াই # আধার কার্ডের ফটোকপির অপব্যবহার রুখতে বিজ্ঞপ্তি জারি # ইউনেস্কো'র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজো # বাংলার চিকিৎসক উজ্জ্বল পোদ্দার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরার তালিকায়মাধ্যমিকের পর উচ্চমাধ্যমিকেও তাক লাগালো কাটোয়ার অভীক পশ্চিমবঙ্গে কোভিড বিধিনিষেধ প্রত্যাহার #১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের আন্দোলন

অতি সাধারণ পরিবারের ছেলে-মেয়ের অসাধারণ রেজাল্ট


 

অতি সাধারণ পরিবারের ছেলে-মেয়ের অসাধারণ রেজাল্ট


অতনু হাজরা, জামালপুর : উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়ে কলেজে ভর্তির প্রক্রিয়াও প্রায় শেষের দিকে। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে ভালো ফলাফল করা অনেক ছেলে মেয়ের সন্ধান পাওয়া গেছে। কিন্তু প্রত্যন্ত গ্রামে এমন কিছু ছাত্র ছাত্রী আছে যারা ভালো ফল করলেও সেভাবে প্রচারের আলোয় আসতে পারে না। তাদের সংগ্রামের কথা কেউই জানতে পারে না। পূর্ব বর্ধমান জেলার সেরকম দু'জন ছাত্র ছাত্রীর কথা আজ আমরা পাঠকদের কাছে তুলে ধরবো।

একজন সন্দীপন রক্ষিত বাড়ি জামালপুরের বেরুগ্রামের বলরামপুর। তার বাবা রামবন্ধু রক্ষিত পেশায় সামান্য একজন মুদি দোকানি। যথেষ্ট টানাটানির সংসার। কিন্তু এই বাড়ির ই ছেলে সন্দীপন, যার মনে ছিল অদম্য জোর, হার না মানা মানসিকতা।অতি সাধারণ জীবন যাপনে অভ্যস্ত কম কথা বলা ছেলে সন্দীপন। কিন্তু ছোট থেকেই পড়াশোনায় খুবই মনোযোগী। মাধ্যমিকেও যথেষ্ট ভালো ফল করেছে সে। তার প্রাপ্ত নম্বর ছিল ৬৪৫। তারপরেই জামালপুর হাই স্কুলে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা।অবশেষে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় শেষ হাসি সেই হাসে। ৪৭৬ নম্বর পায় সে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায়।এখন রহরা রামকৃষ্ণ মিশনে ভর্তি হয়েছে। সন্দীপন ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার কিছুই হতে চায় না। সে ফিজিক্স নিয়ে উচ্চ শিক্ষায় এগোতে চায়, চায় গবেষণা করতে। আমরা সকলে তার ভবিষ্যৎ জীবন বা ইচ্ছার সাফল্য কামনা করি।



দ্বিতীয় জন হলো জামালপুরের গুড়েঘরের পেশায় ক্ষুদ্র চাষী দিব্যেন্দু আদকের মেয়ে সুদীপা আদক। যথেষ্ট উছাকাঙ্খী সে।গুড়েঘর হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিকে ৬৪৯ নম্বর নিয়ে পাশ করে। স্থানীয় হুগলি জেলার দশঘড়া হাইস্কুলে বিজ্ঞান নিয়ে ভর্তি হয়। নিয়মিত অভাব ও স্বাচ্ছন্দ্য না পেলেও অদম্য মনের জোরে সে এবারে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৪৭৩ নাম্বার পায়। সুদীপা'র ইচ্ছা ভবিষ্যতে ডাক্তার হওয়া। এবং সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে সে। ওদের দু'জনের জন্যই আমাদের তরফ থেকে রইলো শুভ কামনা।


Post a Comment

0 Comments