Scrooling

পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদল মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দু অধিকারী # ৯২ বছর বয়সে মুম্বইয়ে প্রয়াত হলেন সুরের দুনিয়ার কিংবদন্তি আশা ভোঁসলে # রজতজয়ন্তী বর্ষে সংবাদ প্রভাতী পত্রিকা। সকল পাঠক-পাঠিকা বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি শুভেচ্ছা # আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বঙ্গতনয়া, ৮২তম ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অরিজন্তি বিভাগে সেরা পরিচালকের খেতাব জয় করলেন চিত্রপরিচালক অনুপর্ণা রায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর শুভেচ্ছা। # বর্ধমানে জাতীয় সড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ১১ পুণ্যার্থীর মৃত্যু। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর # UGC NET 2025-এ অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক-১ করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পিএইচডি স্কলার নিলুফা ইয়াসমিন # উচ্চ মাধ্যমিকের পর নিটেও রাজ্যে প্রথম বর্ধমানের রূপায়ণ পাল। # ষষ্ঠ সিন্ধু জিব্রাল্টার জয় করে ইতিহাসের পাতায় সায়নী # 'দাদাসাহেব ফালকে' সম্মানে ভূষিত হলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী

বর্ধমানের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তথা আইনজীবী সমীর রায় প্রয়াত



বর্ধমানের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তথা আইনজীবী
সমীর রায় প্রয়াত


ডেস্ক রিপোর্ট : বর্ধমান শহরের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তথা আইনজীবী সমীর রায় আর নেই। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে  তিনি প্রয়াত হয়েছেন।  মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। করোনা আক্রান্তে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। ডানপন্থী রাজনীতিতে এক অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন সমীর রায়। জাতীয় কংগ্রেসের আপোষহীন সংগ্রামী নেতা ছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস ছেড়ে তখন তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন সেই সময় তিনিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামী হয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়ে ছিলেন। ঘোর বাম জমানায় বর্ধমান পৌরসভা নির্বাচনে সিপিএম অনেক চেষ্টা করেও সমীর রায় - কে একবারের জন্যও হারাতে পারেনি। বর্ধমানের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হয়েছেন তিনি।

 পৌর নির্বাচনে একটানা সাতবার জয়ের নজির একমাত্র সমীর রায়ের রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর প্রথম  বর্ধমান পৌরসভা নির্বাচনে জয়ের পর আশা করেছিলেন তাঁকেই পৌরপতি করা হবে। তাঁর অনুগামীদের মধ্যে এই নিয়ে বিরাট ক্ষোভের সঞ্চার হয়। তার ফলে সমীর বাবু তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করেন। এবং শেষ পর্যন্ত গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে নির্দলপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন। এরপর তাঁকে আর উল্লেখযোগ্য ভাবে রাজনীতির অঙ্গনে দেখা যায়নি। বর্ধমান শহরের ডাক্তার পাড়া খোসবাগানের বাসিন্দা সমীর রায় কংগ্রেস থেকে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের দুর্দিনে সব সময় পাশে থাকতেন। তাঁর মৃত্যুতে বর্ধমানের রাজনৈতিক মহল থেকে আইনজীবী মহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।