চৈতন্য মহাপ্রভু'র নামে নব নির্মিত তোরণ উদ্বোধন কাটোয়ার দাঁইহাটে

হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রার সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী # ফুটবলে আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়, ফ্রান্স কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ান মেসি # জয়েন্ট এন্ট্রান্স (মেইন) এর প্রথমভাগের পরীক্ষা ২৪ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত # বর্ধমান জেলা রাইস মিলস অ্যাসোসিয়েশন এর শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন # বাংলার চিকিৎসক উজ্জ্বল পোদ্দার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরার তালিকায় #সরকারি কর্মচারীদের সুখের দিন শেষ, শ্রম কোড চালু হতে চলেছে সমগ্র ভারতে # পশ্চিমবঙ্গে কোভিড বিধিনিষেধ প্রত্যাহার # #পূর্ব বর্ধমান জেলায় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এর উদ্যোগে খালবিল ও চুনোমাছ উৎসবের উদ্বোধন ২৫ ডিসেম্বর

দুর্গাপুরে স্কুলের ফি মুকুবের আন্দোলনে ডান-বাম একাকার

 

দুর্গাপুরে স্কুলের ফি মুকুবের আন্দোলনে ডান-বাম একাকার


ডেস্ক রিপোর্ট, সংবাদ প্রভাতী : রাজনীতি বড় বালাই। আর তাইতো স্কুলের ফি মুকুলের দাবিতে অভিভাবকদের সঙ্গে পথে হাঁটলেন ডান-বাম সব দল। শিল্পনগরী দুর্গাপুরের ঘটনা। রাস্তার দু'ধারে দাঁড়িয়ে মানুষজন এমনি দৃশ্য দেখে হতবাক। বিগত চার মাস ধরে দুর্গাপুরে অভিভাবকদের আন্দোলন চলছে। স্কুল গুলির অনড় মনোভাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে শুক্রবার অভিভাবকরা পথে নামেন। দুর্গাপুরের গান্ধী মোড় থেকে মিছিল শুরু হয়ে সিটি সেন্টারে মহকুমা শাসকের দপ্তর পর্যন্ত যায়। আর এই মিছিলে তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস সব দলের নেতারাই হাঁটলেন। 

রাজনীতির ময়দানে চরম শত্রু সিপিএম আর বিজেপির দুই প্রধান নেতাকে পাশাপাশি হাঁটতে দেখা গেল অভিভাবক ফোরামের মিছিলে। মিছিলের মধ্যমণি হয়ে হাঁটলেন সিপিএম বিধায়ক সন্তোষ দেবরায়। মিছিলের প্রথম সারিতে অবশ্য কংগ্রেস বিধায়ক তথা তৃণমূল কোঅর্ডিনেটর বিশ্বনাথ পারিয়াল ছিলেন। বিজেপি জেলা সভাপতি লক্ষণ ঘরুই পরে যোগ দেন। বিজেপি জেলা সভাপতি আসার আগেই মিছিল ছেড়ে যান তৃণমূল কোঅর্ডিনেটর পারিয়াল। কংগ্রেসের প্রাক্তন জেলা সভাপতি দেবেশ চক্রবর্ত্তী প্রথম থেকেই মিছিলে ছিলেন। অভিভাবক ফোরামের দাবি যে সব পরিষেবা পড়ুয়ারা নিতে পারছে না তার জন্য স্কুল কেন অর্থ নেবে।

যদিও আদালতে মামলা চলছে। বিচারাধীন বিষয়ে জেলা প্রশাসন আলাদা করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। তবু অভিভাবকরা আন্দোলনে নেমেছেন। এদিন মৌন মিছিল সংগঠিত করার পর মহকুমা শাসককে স্মারকলিপিও দেয়। অভিভাবকরা আন্দোলন করছেন এনিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। দুর্গাপুরের সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক নেতাদের মতিগতি দেখেই হতবাক। আর এই নিয়েই শুরু হয়েছে যত বিতর্ক। এখন দেখা যাক বিতর্কের এই জল কতদূর গড়ায় ?


Post a Comment

0 Comments