Scrooling

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব পদে নন্দিনী চক্রবর্তী # রজতজয়ন্তী বর্ষে সংবাদ প্রভাতী পত্রিকা। সকল পাঠক-পাঠিকা বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি শুভেচ্ছা # আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বঙ্গতনয়া, ৮২তম ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অরিজন্তি বিভাগে সেরা পরিচালকের খেতাব জয় করলেন চিত্রপরিচালক অনুপর্ণা রায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর শুভেচ্ছা। # বর্ধমানে জাতীয় সড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ১১ পুণ্যার্থীর মৃত্যু। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর # UGC NET 2025-এ অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক-১ করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পিএইচডি স্কলার নিলুফা ইয়াসমিন # উচ্চ মাধ্যমিকের পর নিটেও রাজ্যে প্রথম বর্ধমানের রূপায়ণ পাল। # ষষ্ঠ সিন্ধু জিব্রাল্টার জয় করে ইতিহাসের পাতায় সায়নী # 'দাদাসাহেব ফালকে' সম্মানে ভূষিত হলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী

দুর্গাপুরে স্কুলের ফি মুকুবের আন্দোলনে ডান-বাম একাকার

 

দুর্গাপুরে স্কুলের ফি মুকুবের আন্দোলনে ডান-বাম একাকার


ডেস্ক রিপোর্ট, সংবাদ প্রভাতী : রাজনীতি বড় বালাই। আর তাইতো স্কুলের ফি মুকুলের দাবিতে অভিভাবকদের সঙ্গে পথে হাঁটলেন ডান-বাম সব দল। শিল্পনগরী দুর্গাপুরের ঘটনা। রাস্তার দু'ধারে দাঁড়িয়ে মানুষজন এমনি দৃশ্য দেখে হতবাক। বিগত চার মাস ধরে দুর্গাপুরে অভিভাবকদের আন্দোলন চলছে। স্কুল গুলির অনড় মনোভাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে শুক্রবার অভিভাবকরা পথে নামেন। দুর্গাপুরের গান্ধী মোড় থেকে মিছিল শুরু হয়ে সিটি সেন্টারে মহকুমা শাসকের দপ্তর পর্যন্ত যায়। আর এই মিছিলে তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস সব দলের নেতারাই হাঁটলেন। 

রাজনীতির ময়দানে চরম শত্রু সিপিএম আর বিজেপির দুই প্রধান নেতাকে পাশাপাশি হাঁটতে দেখা গেল অভিভাবক ফোরামের মিছিলে। মিছিলের মধ্যমণি হয়ে হাঁটলেন সিপিএম বিধায়ক সন্তোষ দেবরায়। মিছিলের প্রথম সারিতে অবশ্য কংগ্রেস বিধায়ক তথা তৃণমূল কোঅর্ডিনেটর বিশ্বনাথ পারিয়াল ছিলেন। বিজেপি জেলা সভাপতি লক্ষণ ঘরুই পরে যোগ দেন। বিজেপি জেলা সভাপতি আসার আগেই মিছিল ছেড়ে যান তৃণমূল কোঅর্ডিনেটর পারিয়াল। কংগ্রেসের প্রাক্তন জেলা সভাপতি দেবেশ চক্রবর্ত্তী প্রথম থেকেই মিছিলে ছিলেন। অভিভাবক ফোরামের দাবি যে সব পরিষেবা পড়ুয়ারা নিতে পারছে না তার জন্য স্কুল কেন অর্থ নেবে।

যদিও আদালতে মামলা চলছে। বিচারাধীন বিষয়ে জেলা প্রশাসন আলাদা করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। তবু অভিভাবকরা আন্দোলনে নেমেছেন। এদিন মৌন মিছিল সংগঠিত করার পর মহকুমা শাসককে স্মারকলিপিও দেয়। অভিভাবকরা আন্দোলন করছেন এনিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। দুর্গাপুরের সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক নেতাদের মতিগতি দেখেই হতবাক। আর এই নিয়েই শুরু হয়েছে যত বিতর্ক। এখন দেখা যাক বিতর্কের এই জল কতদূর গড়ায় ?