Scrooling

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব পদে নন্দিনী চক্রবর্তী # রজতজয়ন্তী বর্ষে সংবাদ প্রভাতী পত্রিকা। সকল পাঠক-পাঠিকা বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি শুভেচ্ছা # আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বঙ্গতনয়া, ৮২তম ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অরিজন্তি বিভাগে সেরা পরিচালকের খেতাব জয় করলেন চিত্রপরিচালক অনুপর্ণা রায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর শুভেচ্ছা। # বর্ধমানে জাতীয় সড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ১১ পুণ্যার্থীর মৃত্যু। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর # UGC NET 2025-এ অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক-১ করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পিএইচডি স্কলার নিলুফা ইয়াসমিন # উচ্চ মাধ্যমিকের পর নিটেও রাজ্যে প্রথম বর্ধমানের রূপায়ণ পাল। # ষষ্ঠ সিন্ধু জিব্রাল্টার জয় করে ইতিহাসের পাতায় সায়নী # 'দাদাসাহেব ফালকে' সম্মানে ভূষিত হলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী

করোনা যুদ্ধে সামনের সারির যোদ্ধাদের পাশাপাশি পর্দার আড়ালের কারিগরদেরও কুর্ণিশ

করোনা যুদ্ধে সামনের সারির যোদ্ধাদের সঙ্গে পর্দার আড়ালের কারিগরদেরও কুর্ণিশ 

 ✳ কিশোর মাকড়

 ➡ লকডাউন।  একটি শব্দে মানুষের ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধেই লকডাউন। করোনা যুদ্ধে লড়ছে ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী সহ অনেকেই। এরা সবাই ফ্রন্ট লাইনার। তার বাইরের যোদ্ধাদের কথা না বললে তাঁদের দায়বদ্ধতা ছোটো করা হয়। এরা সকলেই সিনেমার পদার্র আড়ালে শিল্পী। এরা মানে চাঁদু, সানি, তাপস, কৌশিক সহ আরো অনেকে। প্রত্যেকেই বর্ধমানের। হাসপাতালের এ্যাম্বুল্যান্স ড্রাইভার। সারা বছর যাদের পেট চলে পেসেন্ট পার্টির  পয়সায়। সেই পেসেন্ট পার্টি লকডাউন ঘোষণা হতেই পড়লো অকুল পাথারে। ফুটের হোটেল, দোকান সব বন্ধ। কালবিলম্ব  না করে স্হানীয় প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা ইউনিয়নের নেতা সুশান্ত প্রামাণিক উদ্যোগ নিলেন কমিউনিটি কিচেন চালানোর। সাথে পেলেন এ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভারদের। যে কিচেন বন্ধ হলো ৩০ মে। প্রায় ৬০দিনের কাছাকাছি সকাল, সন্ধ্যা দুবেলা পাত পড়েছে প্রায় ১৪০০-১৫০০ অসহায় মানুষের। পেসেন্ট পার্টি কাটোয়ার সনাতন বাগ জানালেন ওনারা না থাকলে উপোষ করে মরতাম। সম্পূর্ণ  স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। 
  বর্ধমান পুরসভার পুরপতি পারিষদের প্রাক্তন সদস্য  সুশান্ত প্রামাণিক জানালেন লকডাউনের প্রথম দিনে দুপুরেই  দেখলাম পেসেন্ট পার্টি  শুকনো মুড়ি খাচ্ছেন মা, ভাই, সহ পাঁচজনে।  সেদিনই ছেলেদের সঙ্গে কথা বলে পরের দিন থেকেই শুরু হলো কমিউনিটি কিচেন।  এই কাজে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে  এগিয়ে আসেন ডাক্তার, এ্যাম্বুল্যান্স মালিক এবং সাধারণ মানুষ।  এই কাজের ভুয়সী প্রশংসা করেছেন এলাকার মানুষ। কাউন্সিলর আরো জানালেন হাসপাতালকে ঘিরে যে হোটেল, দোকান করে পেট চালাচ্ছেন যারা তাঁদের কথা ভেবে কমিউনিটি কিচেন তুলে নিলাম। আমার ইউনিয়ন সব সময় প্রস্তুত।  যে কোন বিপদে ডাক পড়লেই পাশে আছে আমার সৈনিকরা। কুর্ণিশ  করোনা যোদ্ধাদের  পাশাপাশি। পর্দার পিছনের সারির কারিগরদের।