Scrooling

নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রীসভায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে শপথ নিলেন ডঃ সুকান্ত মজুমদার ও শান্তনু ঠাকুর # অ্যালার্জিজনিত সমস্যায় ভুগছেন ? বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ অয়ন শিকদার আগামী ২১ জুলাই বর্ধমানে আসছেন। নাম লেখাতে যোগাযোগ 9734548484 অথবা 9434360442 # আঠারো তম লোকসভা ভোটের ফলাফল : মোট আসন ৫৪৩টি। NDA - 292, INDIA - 234, Others : 17 # পশ্চিমবঙ্গে ভোটের ফলাফল : তৃণমূল কংগ্রেস - ২৯, বিজেপি - ১২, কংগ্রেস - ১

জেলায় জেলায় যুবশ্রী সংগঠনের পক্ষ থেকে অনলাইনে স্মারকলিপি প্রদান

                                                    ফাইল চিত্র

জেলায় জেলায় যুবশ্রী সংগঠনের পক্ষ থেকে অনলাইনে স্মারকলিপি প্রদান

ডেস্ক রিপোর্ট : অবহেলায়, বঞ্চনায় ক্ষোভে ফুঁসছে বাংলার যুবশ্রী'রা।  বর্তমানে লকডাউন পরিস্থিতিতে  সামাজিক দূরত্বের কথা মাথায় রেখে "পশ্চিমবঙ্গ যুবশ্রী এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্ক কর্মপ্রার্থী সমিতি" অনলাইনে আন্দোলনে সরব। যুবশ্রী সংগঠনের পক্ষ থেকে সারা রাজ্যব্যাপী  উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গের প্রতিটি জেলায় অনলাইনের মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করা হচ্ছে। এই কর্মসূচী অনুযায়ী ২৬ জুন  উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জেলায় যুবশ্রী সংগঠনের সঞ্জয় সিংহ, শিবু মিত্র'রা জেলা শাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।


দক্ষিণবঙ্গে হাওড়া জেলা কমিটির পক্ষ থেকে কপিল মাজি, পাপড়ি চ্যাটার্জী, রুবি জানা, শ্রীমন্ত দে এবং সেখ ইমানুল হক'রা জেলা শাসকের কাছে দাবিপত্র পেশ করে। একই সঙ্গে স্মারকলিপির প্রতিলিপি দুই জেলার পক্ষ থেকে অনলাইনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, শ্রমমন্ত্রী সহ  জেলায় এসডিও, বিডিও এবং সমস্ত এক্সচেঞ্জ দপ্তরে প্রদান করা হয়।




যুবশ্রী সংগঠনের রাজ্য কমিটির সদস্য প্রণয় সাহা জানান, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় - এর সাধের প্রকল্প "যুবশ্রী" দীর্ঘ সাত বছর ধরে অবহেলিত হয়ে এসেছে। স্থায়ী কর্মসংস্থানের আশায় লক্ষ লক্ষ বেকার যুবক-যুবতী এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্কে নাম নথিভুক্ত করে ছিল। কিন্তু কোন প্রকার সুরাহা মেলেনি। স্থায়ী কর্মসংস্থানের দাবি নিয়ে বিগত দিনে  বহুবার পথে নেমে প্রতিবাদ জানিয়ে এসেছে বেকার যুব সম্প্রদায়। হতাশায় দিন কাটছে বেকার যুবকদের। তাই লকডাউন পরিস্থিতিতেও সামাজিক দূরত্বের কথা মাথায় রেখে অনলাইনে জেলায় জেলায় দাবীপত্র প্রদান করা হচ্ছে। পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যুবশ্রী সংগঠন সারা রাজ্যব্যাপী বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামবেন, স্থায়ী কর্মসংস্থানের দাবিতে।


                                                     ফাইল চিত্র