Scrooling

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব পদে নন্দিনী চক্রবর্তী # রজতজয়ন্তী বর্ষে সংবাদ প্রভাতী পত্রিকা। সকল পাঠক-পাঠিকা বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি শুভেচ্ছা # আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বঙ্গতনয়া, ৮২তম ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অরিজন্তি বিভাগে সেরা পরিচালকের খেতাব জয় করলেন চিত্রপরিচালক অনুপর্ণা রায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর শুভেচ্ছা। # বর্ধমানে জাতীয় সড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ১১ পুণ্যার্থীর মৃত্যু। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর # UGC NET 2025-এ অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক-১ করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পিএইচডি স্কলার নিলুফা ইয়াসমিন # উচ্চ মাধ্যমিকের পর নিটেও রাজ্যে প্রথম বর্ধমানের রূপায়ণ পাল। # ষষ্ঠ সিন্ধু জিব্রাল্টার জয় করে ইতিহাসের পাতায় সায়নী # 'দাদাসাহেব ফালকে' সম্মানে ভূষিত হলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী

মৃত মাকে জাগানোর ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর সেই শিশুটি এখন কোথায় ?

বিশেষ সংবাদদাতা, বিহার : লকডাউন এর ঘূর্ণাবর্তে অবশেষে বাড়ি ফিরল কিন্তু জীবিত নয়, মৃত লাশ হয়ে। নুন আনতে পান্তা ফুরানো বোকা মির্জার সংসার । সাত মেয়ের মধ্যে চার মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন সবে, অবশ্য বছর পঁচিশেরে আরবিনা খাতুন এর কপাল পুড়েছিল বছর দেড়েক আগে। বিহারের  প্রত্যন্ত এক গ্রাম থেকে সুদূর উত্তর প্রদেশের বাদিয়া শরীফের যে যুবকের সাথে গাঁটছড়া বেঁধেছিলো,  বিয়ের চার বছরের মাথায় সে  তালাক দেয় তাকে, দুটি শিশু সন্তান নিয়ে কাজের সন্ধানে জামাইবাবু ও দিদির সাথে পাড়ি দেয় গুজরাটের আমেদাবাদে, ভাঙা শরীর ও মন নিয়েই একজন নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতো সে । শ্রমিক ট্রেনে বাড়ি ফেরার পথে বিপত্তি বিহারের  মুজাফ্ফরপুর স্টেশনে শরীর আর সাথ দিলোনা লুটিয়ে পরল স্টেশনে। আর এখানেই সফর শেষ করতে হলো। কিন্তু তখনও তার বছর দেড়েকের রহমত জানে না তার মা যেখানে চলে গেছে সেখান থেকে ফিরে আসা যায় না। তাই বারবার মাকে জাগানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। হৃদয়বিদারক সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে গোটা দেশজুড়ে। বিহারের প্রশাসন থেকে রাজনীতিক বিভিন্ন স্তর থেকে বেশ কিছু অর্থ সাহায্য পেয়েছে পরিবারটি। চার বছরের আরমান আর বছর দেড়েকের রহমান তার দাদু দিদার কাছে রয়েছে বিহারের কাটিহার জেলার  গ্রামের বাড়িতে, সম্প্রতি মুম্বাইয়ের এক সেলিব্রেটি শিশুটির দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। বোকা মির্জার মেয়ে হারিয়েছে তিনি বাস্তবটা বুঝে গেছেন , পরিস্থিতিকে গোটা পরিবারই মোটামুটি সামলে নিয়েছে, হয়তো আরমান, রহমত-রাও বুঝতে পেরেছে যে মা আর কোনদিনই ফিরবে না তাই তারা এখন আর মাকে খোঁজে না। কিন্তু আরমান-রহমত যখন বড় হয়ে সব জানবে তখন কি পারবে এই কল্যাণকর রাষ্ট্র কে ক্ষমা করতে ?  শিশু দুটির ভবিষ্যৎ নিয়ে জানতে চাওয়া হলে বোকা মির্জ  বলেন-- " বাড়িতে দুজন লোক এসেছিল তারা বলল বাচ্চা দুটোকে হোস্টেলে রেখে পড়াবে এবং মাসে মাসে কিছু টাকাও দেবে আমি দেখলাম বাচ্চা দুটো ছোট অন্তত বছর দুয়েক পরে এদেরকে রাখার কথা ভাববো"